মঙ্গলবার (১৪ জুলাই) দুপুরে সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের সভাকক্ষে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি এ তথ্য জানান।
প্রধানমন্ত্রীর অনুমোদনের অপেক্ষায় জুলাই গণঅভ্যুত্থান স্মৃতি জাদুঘর
সংবাদ সম্মেলনে সংস্কৃতি বিষয়ক প্রতিমন্ত্রী আলী নেওয়াজ মাহমুদ খৈয়ম, সংস্কৃতি বিষয়ক উপদেষ্টা ডা. জাহেদ উর রহমান এবং মন্ত্রণালয়ের সচিব মিজ কানিজ মওলাও উপস্থিত ছিলেন।
সংস্কৃতি মন্ত্রী বলেন, ২০২৪ সালের গণঅভ্যুত্থানের ইতিহাস, আত্মত্যাগ ও গণআন্দোলনের স্মৃতি সংরক্ষণের লক্ষ্যেই জাদুঘরটি প্রতিষ্ঠার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। বর্তমান সরকার দায়িত্ব নেওয়ার পর প্রকল্পটিকে আরও স্থায়ী ও প্রাতিষ্ঠানিক রূপ দিতে প্রয়োজনীয় কাঠামোগত ও আইনি পরিমার্জনের কাজ করা হচ্ছে।
আরও পড়ুন
জাদুঘর উদ্বোধনে বিলম্বের কারণ ব্যাখ্যা করে তিনি বলেন, পরিচালনার জন্য ইতোমধ্যে একটি পরিচালনা পর্ষদ গঠন করা হয়েছে। তবে পূর্ণাঙ্গভাবে পরিচালনার জন্য স্থায়ী জনবল কাঠামো, অর্গানোগ্রাম এবং প্রয়োজনীয় প্রশাসনিক অনুমোদন নিশ্চিত করতে কিছু সময় লেগেছে।
মন্ত্রী জানান, আগামী দুই-এক দিনের মধ্যে নবগঠিত পরিচালনা পর্ষদের প্রথম সভায় জনবল নিয়োগসংক্রান্ত বিষয় চূড়ান্ত করা হবে। এরপর প্রধানমন্ত্রীর সুবিধাজনক সময় ও অনুমোদন সাপেক্ষে জাদুঘরটির উদ্বোধনের তারিখ ঘোষণা করা হবে।
সংবাদ সম্মেলনে সংস্কৃতি বিষয়ক উপদেষ্টা ডা. জাহেদ উর রহমান জানান, জুলাই গণঅভ্যুত্থানের চেতনা দেশব্যাপী ছড়িয়ে দিতে ১৫ জুলাই থেকে মন্ত্রণালয়ের অধীনস্থ প্রতিষ্ঠানগুলো বিভিন্ন সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান, প্রদর্শনী ও প্রতিযোগিতার আয়োজন করবে।
তিনি বলেন, ১৫ জুলাই গণঅভ্যুত্থানের ইতিহাসে একটি গুরুত্বপূর্ণ দিন। ওই দিনের ঘটনাপ্রবাহ পরবর্তী আন্দোলনকে আরও বেগবান করেছিল। এ উপলক্ষে আয়োজিত কর্মসূচিগুলো সফল করতে গণমাধ্যমের সহযোগিতা কামনা করেন তিনি।