চলতি বিশ্বকাপে দুর্দান্ত ধারাবাহিকতা দেখিয়েছেন উনাই সিমন। সাত ম্যাচে মাত্র একটি গোল হজম করে ছয়টি ক্লিন শিট রেখেছেন তিনি। সেমিফাইনালে ফ্রান্সকে গোলশূন্য রাখার মাধ্যমে এক আসরে সর্বোচ্চ ছয়টি ক্লিন শিটের নতুন বিশ্বকাপ রেকর্ডও গড়েছেন স্প্যানিশ এই গোলরক্ষক। একই সঙ্গে স্পেনও এক বিশ্বকাপে দলীয় সর্বোচ্চ ছয়টি ক্লিন শিটের কীর্তি গড়ে।
২০২৬ বিশ্বকাপে গোল্ডেন গ্লাভসের লড়াইয়ে এগিয়ে কে?
অন্যদিকে, আর্জেন্টিনাকে ফাইনালে তুলতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছেন এমিলিয়ানো মার্তিনেজ। গুরুত্বপূর্ণ সময়ে একের পর এক সেভ করে দলের আস্থার প্রতীক হয়ে উঠেছেন তিনি। তবে রাউন্ড অব ৩২-এ কেপ ভার্দে, রাউন্ড অব ১৬-তে মিশর এবং কোয়ার্টার ফাইনালে সুইজারল্যান্ডের বিপক্ষে মিলিয়ে পাঁচটি গোল হজম করেছেন মার্তিনেজ। ফলে ফাইনালে তার পারফরম্যান্সই গোল্ডেন গ্লাভস জয়ের সম্ভাবনায় বড় প্রভাব ফেলতে পারে।
ফ্রান্সের মাইক মাইনিয়ঁও পুরো টুর্নামেন্টে দারুণ নৈপুণ্য দেখিয়েছেন। গুরুত্বপূর্ণ সময়ে তার একাধিক সেভ ফ্রান্সকে এগিয়ে নিতে সহায়তা করেছে। বল পায়ে খেলার দক্ষতা, দ্রুত সিদ্ধান্ত নেওয়ার ক্ষমতা এবং রক্ষণভাগকে সংগঠিত রাখার সামর্থ্যের জন্যও প্রশংসিত হয়েছেন তিনি। তবে দল সেমিফাইনাল থেকে বিদায় নেওয়ায় তার সম্ভাবনা অনেকটাই কমে গেছে।
আরও পড়ুন
ইংল্যান্ডের জর্ডান পিকফোর্ডও অভিজ্ঞতার ছাপ রেখে একাধিক গুরুত্বপূর্ণ সেভ করেছেন এবং রক্ষণভাগকে নেতৃত্ব দিয়েছেন। কিন্তু ইংল্যান্ড ফাইনালে উঠতে না পারায় গোল্ডেন গ্লাভস জয়ের দৌড়ে তিনিও অনেকটা পিছিয়ে পড়েছেন।
গোল্ডেন গ্লাভস নির্বাচনে শুধু গোল হজমের সংখ্যা নয়, ক্লিন শিট, গুরুত্বপূর্ণ সেভ, বড় ম্যাচে প্রভাব এবং পুরো টুর্নামেন্টে গোলরক্ষকের সামগ্রিক অবদান বিবেচনায় নেওয়া হয়। তাই স্পেন-আর্জেন্টিনা ফাইনালে উনাই সিমন ও এমিলিয়ানো মার্তিনেজের পারফরম্যান্সই শেষ পর্যন্ত নির্ধারণ করতে পারে মর্যাদাপূর্ণ এই পুরস্কারের ভাগ্য।