দলটির নেতারা বলেন, ১১ দলীয় ঐক্য মূলত একটি নির্বাচনী সমঝোতা ছিল। নির্বাচন শেষ হওয়ার মধ্য দিয়ে সেই জোটের কার্যকারিতা শেষ হয়েছে। এরপরও কয়েকটি কর্মসূচিতে অংশ নিলেও এখন থেকে ১১ দলীয় জোটের সব ধরনের কার্যক্রম থেকে বিরত থাকবে খেলাফত মজলিস।
রাজনীতি
জামায়াত নেতৃত্বাধীন ১১ দলীয় জোট ছাড়ল খেলাফত মজলিস
নেতারা জানান, ভবিষ্যতে দেশ, জাতি ও ইসলামের স্বার্থে বৃহত্তর জাতীয় ঐক্য গড়ে তোলার প্রচেষ্টা অব্যাহত থাকবে। পাশাপাশি জাতীয় সংসদে খেলাফত মজলিসের সংসদ সদস্য মুফতি আবুল হাসান বিরোধী দলের ভূমিকা পালন করবেন।
দলের আমির মাওলানা আব্দুল বাছিত আজাদের সভাপতিত্বে এবং মহাসচিব ড. আহমদ আবদুল কাদেরের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠিত শূরা বৈঠকে কেন্দ্রীয় নেতারা উপস্থিত ছিলেন।
আরও পড়ুন
বৈঠকে সরকারের সমালোচনা করে খেলাফত মজলিসের নেতারা অভিযোগ করেন, জুলাই সনদ ও গণভোটের পূর্ণাঙ্গ রায় উপেক্ষা করে সরকার সংবিধান সংশোধনের বিশেষ কমিটি গঠন করেছে। তাদের দাবি, গণরায়ের আলোকে সংবিধান সংস্কার পরিষদ গঠন করে জুলাই সনদের পূর্ণ বাস্তবায়ন নিশ্চিত করতে হবে।
এ ছাড়া জুলাই ও শাপলা চত্বরের ঘটনাসহ বিভিন্ন আলোচিত হত্যাকাণ্ডের বিচার দ্রুত সম্পন্ন করার জন্য সরকারের প্রতি আহ্বান জানান দলটির নেতারা।