রাজনীতি

হবিগঞ্জে এনসিপির কর্মসূচিতে আহত আলিফের এক চোখের দৃষ্টিশক্তি আর ফিরবে না

ঢাকা ম্যাগাজিন ডেস্ক প্রকাশ: বৃহস্পতিবার, ৩০ জুলাই ২০২৬ ১ মিনিটে পড়া যাবে

বৃহস্পতিবার (৩০ জুলাই) এনসিপির সহযোগী সংগঠন নারী শক্তির আহ্বায়ক মনিরা শারমিন তার ভেরিফায়েড ফেসবুক অ্যাকাউন্টে দেওয়া এক পোস্টে এ তথ্য জানান।

তিনি লেখেন, আলিফের অস্ত্রোপচার সফলভাবে সম্পন্ন হলেও তার বাম চোখের দৃষ্টিশক্তি আর ফিরিয়ে আনা সম্ভব হয়নি। তবে তার ডান চোখ সুস্থ রয়েছে এবং অস্ত্রোপচারের পর তাকে পর্যবেক্ষণে রাখা হয়েছে।

এর আগে এনসিপির পক্ষ থেকে জানানো হয়েছিল, রডের আঘাতে আলিফ চৌধুরীর বাম চোখ মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে এবং তিনি এক চোখের দৃষ্টিশক্তি হারানোর ঝুঁকিতে রয়েছেন। পরে তার অস্ত্রোপচার করা হয়।

আরও পড়ুন

গত মঙ্গলবার (২৮ জুলাই) হবিগঞ্জে এনসিপির ‘জুলাই পদযাত্রা’ কর্মসূচি শেষে সংঘর্ষ ও হামলার ঘটনায় গুরুতর আহত হন আলিফ। এরপর থেকে রাজধানীর একটি হাসপাতালে তার চিকিৎসা চলছে।

ওই দিন হবিগঞ্জ টাউন হলের সামনে অনুষ্ঠিত সমাবেশে এনসিপির মুখ্য সমন্বয়ক নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী, মুখ্য সংগঠক (উত্তরাঞ্চল) সারজিস আলমসহ কেন্দ্রীয় নেতারা অংশ নেন। সমাবেশ শেষে তাদের গাড়িবহর সার্কিট হাউসের উদ্দেশে রওনা হলে হামলার ঘটনা ঘটে।

এনসিপির অভিযোগ, প্রথমে নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারীর গাড়ি লক্ষ্য করে ইটপাটকেল নিক্ষেপ করা হয়। পরে সারজিস আলমের গাড়িতেও হামলা চালানো হলে পরিস্থিতি উত্তপ্ত হয়ে ওঠে। একপর্যায়ে তিনি শহরের সোনালী ব্যাংকের একটি ভবনে আশ্রয় নেন। পরে পুলিশ তাকে সেখান থেকে উদ্ধার করে সার্কিট হাউসে নিয়ে যায়।

দলটির আরও অভিযোগ, আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর উপস্থিতিতেই তাদের নেতা-কর্মীদের ওপর হামলা চালানো হয়। এ সময় মিডিয়া টিম বহনকারী একটি মাইক্রোবাস ভাঙচুর, সাংবাদিকদের ক্যামেরা ও মোবাইল ফোন ছিনিয়ে নেওয়ার ঘটনাও ঘটে।

ঘটনার পর এনসিপির মুখ্য সমন্বয়ক নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী তার ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে দেওয়া এক পোস্টে অভিযোগ করেন, হবিগঞ্জ জেলা ছাত্রদলের একদল নেতা-কর্মী হকিস্টিক, রামদা, চেইনসহ দেশীয় অস্ত্র নিয়ে পরিকল্পিতভাবে হামলা চালিয়েছে। তিনি দাবি করেন, ঘটনাস্থলে পুলিশ ও র‍্যাব সদস্যরা উপস্থিত থাকলেও তারা কার্যকর ভূমিকা পালন করেননি। হামলায় দলের মিডিয়া টিমের সদস্য, চালক ও স্থানীয় নেতা-কর্মীদের অনেকেই আহত হয়েছেন এবং কয়েকজনের হাত-পা ভেঙে গেছে।

একই বিভাগের আরও খবর