শনিবার (১ আগস্ট) সকালে জনস্বাস্থ্য পুষ্টি প্রতিষ্ঠান আয়োজিত ‘বিশ্ব মাতৃদুগ্ধ সপ্তাহ’ উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেন, মায়ের বুকের দুধ শিশুর জন্য সর্বোত্তম পুষ্টির উৎস এবং এতে উচ্চমাত্রার প্রয়োজনীয় প্রোটিন রয়েছে। কিন্তু আধুনিকতার প্রবণতার কারণে অনেক শিশুই মাতৃদুগ্ধ থেকে বঞ্চিত হচ্ছে। একই সঙ্গে দেশে সিজারিয়ান প্রসবের হারও উদ্বেগজনকভাবে বেড়েছে বলে তিনি উল্লেখ করেন।
তিনি আরও বলেন, অল্প বয়সে বিয়ে, অল্প বয়সে সন্তান জন্মদান এবং শিশুদের বুকের দুধ না খাওয়ানোর কারণে তাদের শারীরিক বিকাশ বাধাগ্রস্ত হচ্ছে এবং নানা ধরনের রোগে আক্রান্ত হওয়ার ঝুঁকি বাড়ছে। পাশাপাশি শিশুর যথাযথ পরিচর্যার অভাবও এ পরিস্থিতিকে আরও জটিল করে তুলছে।
আরও পড়ুন
-
রাষ্ট্রপতি প্রার্থী চূড়ান্ত করার দায়িত্ব পেলেন তারেক রহমানরবিবার, ০২ আগস্ট ২০২৬
-
বিশ্বশান্তি প্রতিষ্ঠায় সার্বজনীন মানবিক দর্শনের বিকাশ জরুরি: তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রীশনিবার, ০১ আগস্ট ২০২৬
মাতৃদুগ্ধের গুরুত্ব সম্পর্কে জনসচেতনতা বাড়াতে দেশের সব সিভিল সার্জন, জেলা প্রশাসক ও স্বাস্থ্য কর্মকর্তাদের সক্রিয়ভাবে ‘বিশ্ব মাতৃদুগ্ধ সপ্তাহ’ পালন করার আহ্বান জানান স্বাস্থ্যমন্ত্রী।
তিনি বলেন, সুস্থ ও সবল জাতি গড়ে তুলতে হলে মায়েদের মাতৃদুগ্ধ খাওয়ানোর বিষয়ে আরও সচেতন করতে হবে এবং এ বিষয়ে পরিবার ও সমাজের সবাইকে ইতিবাচক ভূমিকা রাখতে হবে।