শনিবার (১ আগস্ট) সকালে জনস্বাস্থ্য পুষ্টি প্রতিষ্ঠান আয়োজিত ‘বিশ্ব মাতৃদুগ্ধ সপ্তাহ’ উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেন, মায়ের বুকের দুধ শিশুর জন্য সর্বোত্তম পুষ্টির উৎস এবং এতে উচ্চমাত্রার প্রয়োজনীয় প্রোটিন রয়েছে। কিন্তু আধুনিকতার প্রবণতার কারণে অনেক শিশুই মাতৃদুগ্ধ থেকে বঞ্চিত হচ্ছে। একই সঙ্গে দেশে সিজারিয়ান প্রসবের হারও উদ্বেগজনকভাবে বেড়েছে বলে তিনি উল্লেখ করেন।
তিনি আরও বলেন, অল্প বয়সে বিয়ে, অল্প বয়সে সন্তান জন্মদান এবং শিশুদের বুকের দুধ না খাওয়ানোর কারণে তাদের শারীরিক বিকাশ বাধাগ্রস্ত হচ্ছে এবং নানা ধরনের রোগে আক্রান্ত হওয়ার ঝুঁকি বাড়ছে। পাশাপাশি শিশুর যথাযথ পরিচর্যার অভাবও এ পরিস্থিতিকে আরও জটিল করে তুলছে।
আরও পড়ুন
-
২৫ বোয়িংয়ের পর এবার ১০ এয়ারবাস কেনার সিদ্ধান্তমঙ্গলবার, ২৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬
-
বাংলাদেশকে আকাশসীমা ব্যবহারের অনুমতি না দেওয়ার ব্যাখ্যা দিল পাকিস্তানমঙ্গলবার, ২৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬
-
বাংলাদেশ-ভারত সম্পর্কে কিছু চ্যালেঞ্জ আছে: হুমায়ুন কবিরমঙ্গলবার, ২৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬
মাতৃদুগ্ধের গুরুত্ব সম্পর্কে জনসচেতনতা বাড়াতে দেশের সব সিভিল সার্জন, জেলা প্রশাসক ও স্বাস্থ্য কর্মকর্তাদের সক্রিয়ভাবে ‘বিশ্ব মাতৃদুগ্ধ সপ্তাহ’ পালন করার আহ্বান জানান স্বাস্থ্যমন্ত্রী।
তিনি বলেন, সুস্থ ও সবল জাতি গড়ে তুলতে হলে মায়েদের মাতৃদুগ্ধ খাওয়ানোর বিষয়ে আরও সচেতন করতে হবে এবং এ বিষয়ে পরিবার ও সমাজের সবাইকে ইতিবাচক ভূমিকা রাখতে হবে।