জাতীয়

টেকসই ও আধুনিক পর্যটন খাত গড়ে তুলতে কাজ করছে সরকার: পর্যটনমন্ত্রী

ঢাকা ম্যাগাজিন ডেস্ক প্রকাশ: সোমবার, ০৩ আগস্ট ২০২৬ ১ মিনিটে পড়া যাবে

সোমবার (৩ আগস্ট) রাজধানীর গুলশান ক্লাবে ট্যুর অপারেটরস অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ (টিওএবি)-এর নবনির্বাচিত কার্যনির্বাহী কমিটির শপথ গ্রহণ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

নবনির্বাচিত কমিটির সদস্যদের অভিনন্দন জানিয়ে মন্ত্রী বলেন, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নেতৃত্বে সরকার বিশ্বমানের পর্যটন শিল্প গড়ে তোলার লক্ষ্যে কাজ করছে। এ উদ্দেশ্যে দেশের ১ হাজার ৪৯৮টি পর্যটন আকর্ষণকে অন্তর্ভুক্ত করে একটি সমন্বিত ট্যুরিজম মাস্টার প্ল্যান প্রণয়নের কাজ চলমান রয়েছে, যা দীর্ঘমেয়াদি উন্নয়নের রূপরেখা হিসেবে কাজ করবে।

তিনি জানান, বিশ্বের দীর্ঘতম প্রাকৃতিক সমুদ্রসৈকত কক্সবাজারকে আঞ্চলিক পর্যটন হাবে পরিণত করা সরকারের অন্যতম অগ্রাধিকার। পাশাপাশি নবনির্মিত কক্সবাজার আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর বিদেশি পর্যটক আকর্ষণ এবং পর্যটন খাত সম্প্রসারণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে বলে তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করেন।

আরও পড়ুন

প্রবাসী বাংলাদেশিদের অবদানের স্বীকৃতিস্বরূপ রাষ্ট্রায়ত্ত বাংলাদেশ পর্যটন করপোরেশনের হোটেল ও মোটেলগুলোতে তাদের জন্য বিশেষ মূল্যছাড় চালুর পরিকল্পনার কথাও জানান পর্যটনমন্ত্রী।

তিনি বলেন, পর্যটন খাত থেকে দেশের মোট দেশজ উৎপাদনে (জিডিপি) ৬ থেকে ৭ শতাংশ অবদান নিশ্চিত করার লক্ষ্য নির্ধারণ করেছে সরকার। এ লক্ষ্য অর্জনে পর্যটন খাতে তথ্যের ঘাটতি দূর করতে দেশব্যাপী ট্যুরিজম স্যাটেলাইট অ্যাকাউন্ট (TSA) বাস্তবায়নের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

এ সময় তিনি টিওএবিসহ সংশ্লিষ্ট সব অংশীজনের সক্রিয় সহযোগিতা কামনা করেন।

অনুষ্ঠানে জাতীয় দক্ষতা উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের সচিব ও নির্বাহী চেয়ারম্যান ড. নাজনীন কাউছার চৌধুরী, বাংলাদেশ পর্যটন করপোরেশনের চেয়ারম্যান মো. শামীমুজ্জামান, বাংলাদেশে ফিলিপাইন, শ্রীলঙ্কা ও ব্রুনাইয়ের রাষ্ট্রদূত ও হাইকমিশনার, নেপাল ও পাকিস্তান দূতাবাসের প্রতিনিধিসহ টিওএবির নেতৃবৃন্দ, গণমাধ্যমকর্মী এবং পর্যটন খাতের বিশিষ্ট ব্যক্তিরা উপস্থিত ছিলেন।

একই বিভাগের আরও খবর