মঙ্গলবার (৪ আগস্ট) দেওয়া এ বাণীতে তিনি বলেন, ৫ আগস্ট বাংলাদেশের জাতীয় জীবনের ইতিহাসে একটি গৌরবময় ও স্মরণীয় দিন। তার ভাষ্য অনুযায়ী, শিক্ষক, শিক্ষার্থী, অভিভাবক, তরুণ, পেশাজীবীসহ সমাজের বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ ঐক্যবদ্ধ হয়ে আন্দোলনে অংশ নেন এবং তা একপর্যায়ে সরকারবিরোধী গণঅভ্যুত্থানে রূপ নেয়।
জুলাই গণঅভ্যুত্থান দিবসে শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধা, ঐক্যের ডাক শফিকুর রহমানের
ডা. শফিকুর রহমান দাবি করেন, আন্দোলন দমনে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর গুলিতে প্রায় দেড় হাজার মানুষ নিহত এবং প্রায় ৩০ হাজার মানুষ আহত হন। এছাড়া বহু মানুষ স্থায়ীভাবে পঙ্গুত্ব বরণ করেন বলেও তিনি উল্লেখ করেন।
বাণীতে তিনি শহীদ আবু সাঈদ, মুগ্ধ, ওয়াসিমসহ আন্দোলনে নিহতদের প্রতি শ্রদ্ধা জানান এবং তাদের রুহের মাগফিরাত কামনা করেন। একই সঙ্গে আহত, পঙ্গুত্ব বরণকারী, শহীদ পরিবার ও নির্যাতিতদের প্রতি সমবেদনা ও কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন।
আরও পড়ুন
বিরোধীদলীয় নেতা বলেন, আন্দোলনের মূল লক্ষ্য ছিল একটি বৈষম্যহীন, গণতান্ত্রিক, সুশাসনভিত্তিক এবং ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠিত রাষ্ট্র গঠন। তিনি দাবি করেন, সেই প্রত্যাশা এখনো পুরোপুরি বাস্তবায়িত হয়নি এবং এ লক্ষ্য অর্জনে সংগ্রাম অব্যাহত রাখতে হবে।
তিনি আরও বলেন, শহীদদের আত্মত্যাগের মর্যাদা রক্ষায় এমন একটি বাংলাদেশ গড়ে তুলতে হবে, যেখানে থাকবে গণতন্ত্র, সামাজিক ন্যায়বিচার, সুশাসন এবং বৈষম্যহীন রাষ্ট্রব্যবস্থা।
বাণীর শেষাংশে ডা. শফিকুর রহমান দেশবাসীর প্রতি সকল বিভেদ ভুলে সুখী, সমৃদ্ধ, মানবিক ও সার্বভৌম বাংলাদেশ গঠনে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করার আহ্বান জানান। পাশাপাশি দেশের শান্তি, সমৃদ্ধি ও কল্যাণ কামনা করেন।