বৃহস্পতিবার (৬ আগস্ট) নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে দেওয়া এক পোস্টে তিনি এ মন্তব্য করেন।
মাহদী আমিন বলেন, জুলাই গণঅভ্যুত্থানের অন্যতম আকাঙ্ক্ষা ছিল একটি স্বাধীন, সার্বভৌম ও গণতান্ত্রিক বাংলাদেশ প্রতিষ্ঠা করা। এমন একটি রাষ্ট্রব্যবস্থা, যেখানে নতজানু পররাষ্ট্রনীতির কোনো স্থান থাকবে না এবং দ্বিপাক্ষিক ও বহুপাক্ষিক সম্পর্কের ক্ষেত্রে সমতা, ন্যায়সংগত আচরণ ও জাতীয় স্বার্থকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দেওয়া হবে।
তিনি আরও বলেন, বিশ্ব মানচিত্রে বাংলাদেশকে আত্মমর্যাদাসম্পন্ন রাষ্ট্র হিসেবে প্রতিষ্ঠার লক্ষ্য নিয়েই নতুন রাষ্ট্রীয় দৃষ্টিভঙ্গি গড়ে উঠেছে।
আরও পড়ুন
-
পরীক্ষা নয়, প্রথম শ্রেণিতে ভর্তি হবে লটারিতেবৃহস্পতিবার, ০৬ আগস্ট ২০২৬
-
র্যাব বিলুপ্ত করে ‘এসআরবি’ গঠনের উদ্যোগ, আইনের খসড়া প্রকাশবৃহস্পতিবার, ০৬ আগস্ট ২০২৬
ফেসবুক পোস্টে মাহদী আমিন উল্লেখ করেন, দিল্লিতে পলাতক দণ্ডপ্রাপ্ত নেত্রীকে বক্তব্য দেওয়ার সুযোগ দেওয়ার ঘটনায় পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় যে জোরালো ভাষায় ক্ষোভ প্রকাশ করেছে, তা সার্বভৌম ও মর্যাদাবান বাংলাদেশেরই প্রতিফলন।
তিনি দাবি করেন, শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার সার্বভৌমত্বের রাজনৈতিক ধারাবাহিকতা ধারণ করে এবং প্রধানমন্ত্রীর ‘সবার আগে বাংলাদেশ’ নীতিকে সামনে রেখেই দেশ একটি স্বনির্ভর, সমৃদ্ধ ও আন্তর্জাতিকভাবে মর্যাদাপূর্ণ রাষ্ট্র হিসেবে এগিয়ে যাচ্ছে।