বৃহস্পতিবার (৬ আগস্ট) নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে দেওয়া এক পোস্টে তিনি এ মন্তব্য করেন।
মাহদী আমিন বলেন, জুলাই গণঅভ্যুত্থানের অন্যতম আকাঙ্ক্ষা ছিল একটি স্বাধীন, সার্বভৌম ও গণতান্ত্রিক বাংলাদেশ প্রতিষ্ঠা করা। এমন একটি রাষ্ট্রব্যবস্থা, যেখানে নতজানু পররাষ্ট্রনীতির কোনো স্থান থাকবে না এবং দ্বিপাক্ষিক ও বহুপাক্ষিক সম্পর্কের ক্ষেত্রে সমতা, ন্যায়সংগত আচরণ ও জাতীয় স্বার্থকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দেওয়া হবে।
তিনি আরও বলেন, বিশ্ব মানচিত্রে বাংলাদেশকে আত্মমর্যাদাসম্পন্ন রাষ্ট্র হিসেবে প্রতিষ্ঠার লক্ষ্য নিয়েই নতুন রাষ্ট্রীয় দৃষ্টিভঙ্গি গড়ে উঠেছে।
আরও পড়ুন
-
২৫ বোয়িংয়ের পর এবার ১০ এয়ারবাস কেনার সিদ্ধান্তমঙ্গলবার, ২৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬
-
বাংলাদেশকে আকাশসীমা ব্যবহারের অনুমতি না দেওয়ার ব্যাখ্যা দিল পাকিস্তানমঙ্গলবার, ২৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬
-
বাংলাদেশ-ভারত সম্পর্কে কিছু চ্যালেঞ্জ আছে: হুমায়ুন কবিরমঙ্গলবার, ২৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬
ফেসবুক পোস্টে মাহদী আমিন উল্লেখ করেন, দিল্লিতে পলাতক দণ্ডপ্রাপ্ত নেত্রীকে বক্তব্য দেওয়ার সুযোগ দেওয়ার ঘটনায় পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় যে জোরালো ভাষায় ক্ষোভ প্রকাশ করেছে, তা সার্বভৌম ও মর্যাদাবান বাংলাদেশেরই প্রতিফলন।
তিনি দাবি করেন, শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার সার্বভৌমত্বের রাজনৈতিক ধারাবাহিকতা ধারণ করে এবং প্রধানমন্ত্রীর ‘সবার আগে বাংলাদেশ’ নীতিকে সামনে রেখেই দেশ একটি স্বনির্ভর, সমৃদ্ধ ও আন্তর্জাতিকভাবে মর্যাদাপূর্ণ রাষ্ট্র হিসেবে এগিয়ে যাচ্ছে।