এতে প্রায় সাড়ে ১৮ লাখ শিক্ষার্থী ও তাদের অভিভাবকরা চরম উদ্বেগে দিন কাটিয়েছেন। শিক্ষক-অভিভাবকরা বলছেন, ফল বিপর্যয়সহ নানা গুঞ্জনে তাঁরা আতঙ্কিত ছিলেন। শিক্ষাবিদরা আশঙ্কা করছেন, দেরিতে ফল প্রকাশের কারণে উচ্চমাধ্যমিকে ভর্তি প্রক্রিয়া পিছিয়ে যাবে, যা একাদশ শ্রেণির শিক্ষার্থীদের জন্য সেশনজট তৈরি করবে। এতে এইচএসসি পরীক্ষার প্রস্তুতিও ব্যাহত হতে পারে।
শিক্ষা
এসএসসির ফল প্রকাশ আজ, ভাঙছে ২০ বছরের রেকর্ড
চলতি বছর ২১ এপ্রিল পরীক্ষা শুরু হয়ে ২০ মে শেষ হয়। শিক্ষামন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন ২০ জুলাইয়ের মধ্যে ফল প্রকাশের ঘোষণা দিলেও তা সম্ভব হয়নি। পরে ১০ আগস্ট তারিখ চূড়ান্ত করা হয়। দেরির কারণ হিসেবে বোর্ড কর্মকর্তারা অতিবৃষ্টি ও বন্যার কথা বললেও নাম প্রকাশ না করা কর্মকর্তারা ইঙ্গিত দেন ফল সমন্বয়জনিত জটিলতার কথা। যদিও ঢাকা বোর্ডের চেয়ারম্যান এসব অভিযোগ অস্বীকার করেছেন।
আরও পড়ুন
শিক্ষাপঞ্জি অনুযায়ী জুলাই থেকে একাদশ শ্রেণির ক্লাস শুরুর কথা থাকলেও এবার ফল প্রকাশেই পিছিয়ে গেছে আগস্ট। ভর্তি শেষ হতে আরও দেড়-দুই মাস সময় লাগতে পারে, ফলে অক্টোবরের আগে ক্লাস শুরু হওয়া সম্ভব নয়। শিক্ষাবিদ অধ্যাপক মজিবুর রহমান বলেছেন, পাবলিক পরীক্ষার ফলে শিক্ষার্থীদের প্রায় এক থেকে দেড় বছর সময় নষ্ট হয়, যা কমাতে উদ্যোগ প্রয়োজন।