বর্তমানে দুই দেশের দ্বিপাক্ষিক বাণিজ্যের পরিমাণ বছরে প্রায় ৪৫০ মিলিয়ন ডলার। বাংলাদেশ থেকে নিউজিল্যান্ডে রপ্তানি হয় ১৪৭ মিলিয়ন ডলারের পণ্য, যার বেশিরভাগ তৈরি পোশাক। অ-পোশাক খাত যেমন ফার্মাসিউটিক্যালস, পাট, চামড়া, আইটি ও টেকসই বস্ত্রে রপ্তানি বাড়াতে এনজেডটিই-এর সহযোগিতা চাওয়া হয়েছে।
নিউজিল্যান্ডের সাথে কৃষি-প্রযুক্তি, দুগ্ধ, সবুজ জ্বালানি ও আইটি খাতে সহযোগিতা বাড়ানোর প্রস্তাব
বাংলাদেশের ফার্মাসিউটিক্যাল শিল্পের আন্তর্জাতিক মানের সক্ষমতার কথা তুলে ধরে নিউজিল্যান্ডের বাজারে সাশ্রয়ী জেনেরিক ওষুধ ও ভ্যাকসিন সরবরাহের সুযোগ রয়েছে বলে জানানো হয়। পাশাপাশি ৬ লাখ ৫০ হাজারের বেশি প্রযুক্তি পেশাজীবীর দক্ষ জনশক্তি কাজে লাগিয়ে সফটওয়্যার, ফিনটেক ও ডিজিটাল সেবায় অংশীদারিত্ব গড়ার প্রস্তাব দেওয়া হয়।
আরও পড়ুন
বিনিয়োগের ক্ষেত্রে নিউজিল্যান্ডের কোম্পানিগুলোকে বাংলাদেশের বিশেষ অর্থনৈতিক অঞ্চলে বিনিয়োগের আহ্বান জানানো হয়। দুগ্ধ প্রক্রিয়াজাতকরণ, কোল্ড-চেইন লজিস্টিকস, নবায়নযোগ্য জ্বালানি ও পরিবেশবান্ধব প্রযুক্তিতে বিনিয়োগের সম্ভাবনা তুলে ধরা হয়।
দ্বিপাক্ষিক সহযোগিতা বাস্তবায়নে বিডিএ-এর সাথে এনজেডটিই-এর সরাসরি যোগাযোগ, ভার্চুয়াল বিজিটু-বি মিটিং আয়োজন এবং এমএফএটি-এর সাথে সমন্বয়ের প্রস্তাব করা হয়। পাশাপাশি দ্বিপাক্ষিক বিজনেস কাউন্সিল গঠন ও বাণিজ্য মেলায় অংশগ্রহণে সম্মত হয় দুই পক্ষ।