শিক্ষাজীবনের বাধা পেরিয়ে বিশ্বমঞ্চে
পরীক্ষায় ফেল করেও আজ যারা বিশ্বসেরা
-
আলবার্ট আইনস্টাইন: বাল্যকালে ধীরগতির কারণে অনেকে তাকে কম বুদ্ধিসম্পন্ন মনে করতেন; তিনি জুরিখের পলিটেকনিক ভর্তি পরীক্ষায় অকৃতকার্য হন। কিন্তু পরবর্তীতে পদার্থবিজ্ঞানে নোবেল অর্জনসহ আধুনিক বিজ্ঞানের ভিত্তি স্থাপন করেন।
টমাস আলভা এডিসন: শিক্ষক তাকে 'মানসিকভাবে স্থবির' আখ্যা দিয়ে স্কুল থেকে বের করে দেন। অথচ তিনিই ১০৯৩টি পেটেন্টের মালিক হয়ে বৈদ্যুতিক বাল্বসহ বৈপ্লবিক উদ্ভাবন উপহার দেন।
আরও পড়ুন
রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর: প্রাতিষ্ঠানিক নিয়ম পছন্দ না হওয়ায় ম্যাট্রিকুলেশন পাস করেননি; ব্যারিস্টারি পড়াও অসমাপ্ত ছিল। কিন্তু তিনিই প্রথম এশীয় হিসেবে সাহিত্যে নোবেল পুরস্কার লাভ করেন।
কাজী নজরুল ইসলাম: দারিদ্র্যের কারণে ১০ম শ্রেণির পর পড়া চালিয়ে যেতে পারেননি। ডিগ্রি না থাকা সত্ত্বেও তিনি বাংলাদেশের জাতীয় কবির মর্যাদা পান এবং ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় তাকে মরণোত্তর ডি-লিট প্রদান করে।
উইনস্টন চার্চিল: ষষ্ঠ শ্রেণিতে ফেল এবং সেনাবাহিনীতে ৩ বার প্রত্যাখ্যাত হয়েও তিনি যুক্তরাজ্যের প্রধানমন্ত্রী হয়ে দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধে বিজয়ী নেতৃত্ব দেন।
প্রথাগত গণ্ডি ভেঙে নতুন পথচলা
-
জ্যাক মা: প্রাইমারিতে ২ বার, মাধ্যমিকে ৩ বার, বিশ্ববিদ্যালয়ে ৩ বার এবং হার্ভার্ডে ১০ বার প্রত্যাখ্যাত হয়েও তিনি 'আলিবাবা' প্রতিষ্ঠা করে চীনের শীর্ষ ধনী হন।
রিচার্ড ব্র্যানসন: ডিসলেক্সিয়ার কারণে স্কুলে বারবার ফেল করায় প্রধান শিক্ষক ভবিষ্যদ্বাণী করেছিলেন—তিনি জেলে যাবেন বা কোটিপতি হবেন। তিনি 'ভার্জিন গ্রুপ'-এর অধীনে ৪০০টিরও বেশি কোম্পানির মালিক।
বিল গেটস: হার্ভার্ড বিশ্ববিদ্যালয় ছেড়ে দেন (ড্রপআউট) এবং মাইক্রোসফট প্রতিষ্ঠা করে দীর্ঘ সময় বিশ্বের শীর্ষ ধনী ছিলেন।
স্টিভ জবস: কলেজের প্রথম সেমিস্টারে ড্রপআউট হয়েও অ্যাপল, আইফোন ও ম্যাকবুকের মতো বিশ্ব কাঁপানো উদ্ভাবন উপহার দেন।
স্থপতি মাজহারুল ইসলাম: মাধ্যমিকে গণিতে দুর্বলতা থাকলেও শাহবাগ পাবলিক লাইব্রেরি ও চারুকলা ইনস্টিটিউটের মতো কালজয়ী নকশা দিয়ে আন্তর্জাতিক খ্যাতি অর্জন করেন।