বেশ কয়েকটি মার্কিন গণমাধ্যম সূত্রে জানা যায়, ন্যাটো সম্মেলনে যোগ দিতে কাতার থেকে প্রাপ্ত নতুন এয়ারফোর্স ওয়ান বিমানে করে আঙ্কারায় পৌঁছান ট্রাম্প। কিন্তু প্রাণনাশের হুমকির কারণে তাকে ছোট ওই বিমানে করে তুরস্ক ছাড়তে হয়। মূলত ইরানি সমর্থক গোষ্ঠীর হুমকির কারণেই শেষ মুহূর্তে এই উড়োজাহাজ পরিবর্তনের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। আঙ্কারা থেকে ফেরার সময় পুরোনো বিমানটিতে থাকা সাংবাদিকদের জানালার পর্দা নামিয়ে রাখার নির্দেশ দেওয়া হয়েছিল।
কন্টেইনারে লুকিয়ে তুরস্ক ছাড়লেন ট্রাম্প, কী ছিল কারণ?
ওয়াশিংটন পোস্টের প্রকাশিত ভিডিওতে দেখা যায়, ট্রাম্প উড়োজাহাজে ওঠার কয়েক মিনিট পর পুরনো এয়ারফোর্স ওয়ান থেকে একটি ক্যাটারিং ট্রাক নামানো হয় এবং তা দূরবর্তী ছোট সি-৩২এ বিমানের দিকে যায়। যুক্তরাজ্যে পৌঁছানোর পর আরেকটি ভিডিওতে দেখা যায়, ট্রাম্প বড় বিমান থেকে নেমে নতুন এয়ারফোর্স ওয়ানের দিকে যাচ্ছেন। তবে তিনি কীভাবে পুনরায় বড় বিমানে ফিরে গিয়েছিলেন, তা নিশ্চিত নয়।
উল্লেখ্য, এই নতুন এয়ারফোর্স ওয়ানে আগের বিমানের মতো পর্যাপ্ত নিরাপত্তা ব্যবস্থা, এমনকি ‘ক্ষেপণাস্ত্র প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা’ও নেই। তবে হোয়াইট হাউসের কমিউনিকেশন ডিরেক্টর স্টিভেন চুং নতুন বিমানের নিরাপত্তার পক্ষে বিবৃতি দিয়ে বলেন, এটি একটি সর্বাধুনিক প্রযুক্তির উড়োজাহাজ, যা প্রেসিডেন্ট ও তার কর্মকর্তাদের জন্য উচ্চমানের নিরাপত্তা নিশ্চিত করে।
আরও পড়ুন
সূত্র: ওয়াশিংটন পোস্ট ও নিউইয়র্ক টাইমস