বৃহস্পতিবার উচ্চপর্যায়ের অধিবেশনে শাহ বলেন, উষ্ণ হয়ে ওঠা জলবায়ু ভঙ্গুর হিমালয় পরিবেশব্যবস্থাকে অস্থিতিশীল করে তুলছে। এতে পারমাফ্রস্ট ও হিমবাহ গলার পাশাপাশি প্রাকৃতিক দুর্যোগের ঝুঁকিও বাড়ছে।
গত মাসের শেষ দিকে নেপাল-চীন সীমান্তের উচ্চ পার্বত্য এলাকায় হিমবাহসংক্রান্ত ধসের পর ভয়াবহ ঢলে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়। এতে ১ হাজার ৪০০-এর বেশি মানুষ নিহত এবং প্রায় ৬ হাজার মানুষ নিখোঁজ রয়েছেন বলে জানানো হয়েছে। অর্থনৈতিক ক্ষতির পরিমাণ কয়েক বিলিয়ন ডলার বলে ধারণা করা হচ্ছে।
শাহ বলেন, বৈশ্বিক গ্রিনহাউস গ্যাস নিঃসরণে নেপালের অবদান ০ দশমিক ১ শতাংশেরও কম। অথচ জলবায়ু সংকটের মূল্য নেপালকেই দিতে হচ্ছে। এই পরিস্থিতিতে অভিযোজনের ব্যয়ের একটি অংশ আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়কে বহনের আহ্বান জানান তিনি।
নেপালের প্রধানমন্ত্রী ‘হিমালয়া ক্লাইমেট রেজিলিয়েন্স মেকানিজম’ নামে আঞ্চলিক উদ্যোগ গঠনের প্রস্তাব দিয়েছেন। এতে ভারত ও চীনকে যুক্ত করে স্যাটেলাইট তথ্য ও বিশেষজ্ঞ মতামত বিনিময়, হিমবাহের হ্রদ পর্যবেক্ষণ এবং যৌথ আগাম সতর্কীকরণ ব্যবস্থা শক্তিশালী করার কথা বলা হয়েছে।
নেপাল জলবায়ুজনিত ক্ষয়ক্ষতির জন্য জাতিসংঘের লস অ্যান্ড ড্যামেজ ফান্ড থেকে ২ কোটি ডলার সহায়তা চেয়েছে। তবে সরকারের প্রাথমিক হিসাবে এবারের দুর্যোগে ক্ষতির পরিমাণ প্রায় ৫০০ কোটি ডলার। এ ছাড়া যুক্তরাষ্ট্র বন্যা-পরবর্তী পুনরুদ্ধারে ৩ কোটি ১০ লাখ ডলার সহায়তার ঘোষণা দিয়েছে। যুক্তরাজ্যসহ জি-৭ভুক্ত কয়েকটি দেশও সহায়তার আশ্বাস দিয়েছে।




