পরে মন্ত্রণালয় ও অধীন দপ্তর-সংস্থার কর্মকর্তাদের সঙ্গে মতবিনিময় সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্য দেন মন্ত্রী।
সমন্বয়হীনতা দূর করাই প্রথম কাজ: বিমান ও পর্যটনমন্ত্রী
এম রশিদুজ্জামান মিল্লাত বলেন, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের প্রতি তিনি কৃতজ্ঞ যে তাকে বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে। নতুন নেতৃত্বে টিম হিসেবে কাজ করে মন্ত্রণালয়ের কার্যক্রম এগিয়ে নেওয়ার প্রত্যয় ব্যক্ত করেন তিনি।
মন্ত্রী বলেন, ‘মন্ত্রণালয় ও আওতাধীন সংস্থাগুলোর সমন্বয়হীনতা দূর করা হবে আমার প্রথম কাজ।’ কাজের সুবিধার্থে প্রতি পাঁচ কর্মদিবসের মধ্যে একদিন সিভিল এভিয়েশন বা বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সে অফিস করার পরিকল্পনার কথাও জানান তিনি।
আরও পড়ুন
কর্মকর্তাদের উদ্দেশে তিনি বলেন, ভালো কাজের জন্য পুরস্কার এবং খারাপ কাজের জন্য তিরস্কারের ব্যবস্থা থাকবে। মন্ত্রণালয়ের কার্যক্রম আরও গতিশীল করতে প্রচলিত আমলাতান্ত্রিক কাঠামোর বাইরে গিয়ে উদ্ভাবনী পরিকল্পনা নিয়ে কাজ করতে হবে।
সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে বিমান ও পর্যটনমন্ত্রী জানান, হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের তৃতীয় টার্মিনালের ১৬ ডিসেম্বর সফট ওপেনিংয়ের পরিকল্পনা নিয়ে কাজ চলছে। জাপানি কোম্পানির সঙ্গে আগামী সেপ্টেম্বরে চুক্তি করার উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে।
এ ছাড়া আগামী বছর ঢাকা-নিউইয়র্ক ফ্লাইট চালুর পাশাপাশি বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের বহরে শিগগিরই লিজ নেওয়া ১০টি বিমান যুক্ত করার আশা প্রকাশ করেন তিনি।
ঈশ্বরদী বিমানবন্দর প্রসঙ্গে মন্ত্রী বলেন, পাবনার পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্রের জন্য তেজস্ক্রিয় সামগ্রী পরিবহনের সুবিধার্থে সেখানে শিগগিরই ফ্লাইট চালুর বিষয়টি বিবেচনা করা হচ্ছে। যশোর বিমানবন্দরে কমার্শিয়াল ফ্লাইট কমে যাওয়ায় ইউএস-বাংলা এয়ারলাইন্সের সঙ্গে নতুন ফ্লাইট চালুর বিষয়ে আলোচনা হয়েছে।
তিনি আরও জানান, বগুড়া বিমানবন্দর নির্মাণের জন্য ফিজিবিলিটি স্টাডি চলছে। আগামী অক্টোবরে কক্সবাজার আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর চালুর ব্যাপারেও আশাবাদ ব্যক্ত করেন মন্ত্রী।