রোববার (২৩ আগস্ট) সচিবালয়ে মন্ত্রণালয়ের সম্মেলন কক্ষে রিয়েল এস্টেট অ্যান্ড হাউজিং অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ (রিহ্যাব) ও বাংলাদেশ ল্যান্ড ডেভেলপার অ্যাসোসিয়েশনের সদস্যদের সঙ্গে মতবিনিময় সভায় তিনি এসব কথা বলেন।
মন্ত্রী বলেন, গত ১৭ বছরে ভবন নির্মাণের ক্ষেত্রে বিদ্যমান আইন ও নীতিমালার যথাযথ বাস্তবায়ন হয়নি। অনেক ভবনের অনুমোদিত নকশায় সুয়ারেজ ট্রিটমেন্ট প্ল্যান্ট (এসটিপি) ও সোক ওয়েল থাকার কথা থাকলেও কিছু ডেভেলপার প্রতিষ্ঠান তা নির্মাণ করেনি। এখন থেকে আইন বাস্তবায়নে কোনো ছাড় দেওয়া হবে না।
তিনি বলেন, রিহ্যাব ও বাংলাদেশ ল্যান্ড ডেভেলপার অ্যাসোসিয়েশনের সদস্যদেরও আইন মেনে ভবন ও আবাসন প্রকল্প নির্মাণে সচেতন হতে হবে। রাজউকের ভূমি ব্যবহার ছাড়পত্র ও নকশা অনুমোদনের পুরো প্রক্রিয়া শতভাগ ডিজিটালাইজেশনের আওতায় আনা হচ্ছে।
এ ছাড়া জাতীয় গৃহায়ন কর্তৃপক্ষের বিধিমালা সংশোধন করে রাজধানীর বাইরের ডেভেলপার প্রতিষ্ঠানগুলোকে সুনির্দিষ্ট নীতিমালার আওতায় আনা হবে বলেও জানান তিনি।
সভায় গৃহায়ন ও গণপূর্ত প্রতিমন্ত্রী আহম্মদ সোহেল মনজুর বলেন, গ্রাহকদের ভোগান্তির বিষয়টি ডেভেলপার প্রতিষ্ঠানগুলোকে গুরুত্বের সঙ্গে বিবেচনা করতে হবে। অনেক গ্রাহক বছরের পর বছর টাকা পরিশোধ করেও ফ্ল্যাট বা অ্যাপার্টমেন্ট বুঝে পাচ্ছেন না। আবার চুক্তি অনুযায়ী কিস্তি চালিয়ে যেতে না পারা গ্রাহকদের জমা অর্থও দীর্ঘদিন আটকে থাকছে। এসব বিষয় মানবিক দৃষ্টিকোণ থেকে বিবেচনার আহ্বান জানান তিনি।
সভায় রাজউক চেয়ারম্যান ইঞ্জিনিয়ার মো. রিয়াজুল ইসলাম, অতিরিক্ত সচিব মো. আব্দুল মতিনসহ মন্ত্রণালয় ও সংশ্লিষ্ট সংগঠনের কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।
রিহ্যাব ও বাংলাদেশ ল্যান্ড ডেভেলপার অ্যাসোসিয়েশনের নেতারা আইন ও বিধি মেনে ভবন নির্মাণ ও আবাসন উন্নয়নে নিজেদের অবস্থান তুলে ধরেন। একই সঙ্গে ঢাকা মহানগর বিশদ অঞ্চল পরিকল্পনা (ড্যাপ) ও ঢাকা মহানগর ইমারত নির্মাণ বিধিমালা নিয়েও তাঁরা মতামত দেন।




