সোমবার (২৪ আগস্ট) সচিবালয়ে ঢাকায় নিযুক্ত ভারতীয় হাইকমিশনার দীনেশ ত্রিবেদীর সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ শেষে সাংবাদিকদের এসব কথা বলেন তিনি।
বাণিজ্যমন্ত্রী বলেন, দুই দেশের বাণিজ্যিক সম্পর্ক আরও জোরদারে সীমান্তগুলো পুরোপুরি কার্যকর করা, বর্ডার হাট পুনরায় চালু এবং স্থলপথে সুতা আমদানি পুনরায় শুরুর বিষয়ে আলোচনা হয়েছে। এছাড়া সাব্রুমসহ আরও কয়েকটি সড়ক যোগাযোগের বিষয়ও আলোচনায় এসেছে।
তিনি বলেন, ২০২৪ সালে বাংলাদেশে রাজনৈতিক পরিবর্তনের পর দুই দেশের বাণিজ্যে কিছু বিধিনিষেধ আরোপ করা হলেও গত বছর দ্বিপক্ষীয় বাণিজ্যের পরিমাণ প্রায় ১৩ বিলিয়ন ডলার ছিল। অর্থনৈতিক স্বার্থ অনেক সময় অন্যান্য বিষয়কে ছাড়িয়ে যায় বলেও মন্তব্য করেন তিনি।
আরও পড়ুন
-
২০৩৪ সালের মধ্যে ট্রিলিয়ন ডলারের অর্থনীতি গড়ার লক্ষ্য: বিজ্ঞান ও প্রযুক্তিমন্ত্রীসোমবার, ২৪ আগস্ট ২০২৬
-
ভারত-বাংলাদেশ বাণিজ্য সম্পর্ক জোরদারে স্থলবন্দর ও সীমান্ত হাট চালুর উদ্যোগসোমবার, ২৪ আগস্ট ২০২৬
-
স্বর্ণের দাম আবারও বাড়ল, ভরিতে বেড়েছে ৫ হাজার ৪৮২ টাকাশনিবার, ২২ আগস্ট ২০২৬
খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির বলেন, বাংলাদেশ-ভারত সম্পর্কের ক্ষেত্রে অর্থনৈতিক স্বার্থকে গুরুত্ব দিতে হবে। এতে ভোক্তারা কম দামে পণ্য ও সেবা পাওয়ার সুযোগ পাবেন।
ভারতের ব্যবসায়ীদের বাংলাদেশে অবকাঠামো ও ডিজিটাল অবকাঠামো খাতে বিনিয়োগের প্রস্তাবের কথা জানিয়ে তিনি বলেন, এ লক্ষ্যে দুই দেশের ব্যবসায়ীদের নিয়ে একটি টাস্কফোর্স গঠনের প্রস্তাব দেওয়া হয়েছে।
বাণিজ্যমন্ত্রী বলেন, বাণিজ্যিক সম্পর্ক আরও গতিশীল করা এবং নতুন বিনিয়োগের ক্ষেত্র খুঁজে বের করা একটি চলমান প্রক্রিয়া।