সোমবার (২৪ আগস্ট) সচিবালয়ে ঢাকায় নিযুক্ত ভারতীয় হাইকমিশনার দীনেশ ত্রিবেদীর সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ শেষে সাংবাদিকদের এসব কথা বলেন তিনি।
বাণিজ্যমন্ত্রী বলেন, দুই দেশের বাণিজ্যিক সম্পর্ক আরও জোরদারে সীমান্তগুলো পুরোপুরি কার্যকর করা, বর্ডার হাট পুনরায় চালু এবং স্থলপথে সুতা আমদানি পুনরায় শুরুর বিষয়ে আলোচনা হয়েছে। এছাড়া সাব্রুমসহ আরও কয়েকটি সড়ক যোগাযোগের বিষয়ও আলোচনায় এসেছে।
তিনি বলেন, ২০২৪ সালে বাংলাদেশে রাজনৈতিক পরিবর্তনের পর দুই দেশের বাণিজ্যে কিছু বিধিনিষেধ আরোপ করা হলেও গত বছর দ্বিপক্ষীয় বাণিজ্যের পরিমাণ প্রায় ১৩ বিলিয়ন ডলার ছিল। অর্থনৈতিক স্বার্থ অনেক সময় অন্যান্য বিষয়কে ছাড়িয়ে যায় বলেও মন্তব্য করেন তিনি।
আরও পড়ুন
-
আইএমএফ ও বিশ্বব্যাংক যা চায়, সরকারও তা চায়: অর্থমন্ত্রীসোমবার, ১২ অক্টোবর ২০২৬
-
আমদানির গমের মান যাচাইয়ে শৈথিল্য নয়: খাদ্যমন্ত্রীরবিবার, ১১ অক্টোবর ২০২৬
-
বিনিয়োগবান্ধব পরিবেশ নিশ্চিত করতে কাজ করছে সরকার: প্রধানমন্ত্রীরবিবার, ১১ অক্টোবর ২০২৬
খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির বলেন, বাংলাদেশ-ভারত সম্পর্কের ক্ষেত্রে অর্থনৈতিক স্বার্থকে গুরুত্ব দিতে হবে। এতে ভোক্তারা কম দামে পণ্য ও সেবা পাওয়ার সুযোগ পাবেন।
ভারতের ব্যবসায়ীদের বাংলাদেশে অবকাঠামো ও ডিজিটাল অবকাঠামো খাতে বিনিয়োগের প্রস্তাবের কথা জানিয়ে তিনি বলেন, এ লক্ষ্যে দুই দেশের ব্যবসায়ীদের নিয়ে একটি টাস্কফোর্স গঠনের প্রস্তাব দেওয়া হয়েছে।
বাণিজ্যমন্ত্রী বলেন, বাণিজ্যিক সম্পর্ক আরও গতিশীল করা এবং নতুন বিনিয়োগের ক্ষেত্র খুঁজে বের করা একটি চলমান প্রক্রিয়া।