কৃমি হয়েছে বুঝবেন যেসব লক্ষণে
কৃমির সংক্রমণে সবার একই উপসর্গ নাও থাকতে পারে। সাধারণ লক্ষণগুলোর মধ্যে রয়েছে—
- খাবারে অরুচি
- পেটে ব্যথা বা অস্বস্তি
- বমি বমি ভাব
- ডায়রিয়া
- মলদ্বারে চুলকানি
- দুর্বলতা বা রক্তস্বল্পতা
- শিশুদের ঘুমের মধ্যে অস্থিরতা
দীর্ঘদিন এসব উপসর্গ থাকলে চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া উচিত।
কৃমির ওষুধ কত দিন পরপর খাবেন?
কৃমিনাশক ওষুধ কত ঘন ঘন খেতে হবে, তা বয়স, কৃমির ধরন, সংক্রমণের মাত্রা ও ব্যক্তির স্বাস্থ্যগত অবস্থার ওপর নির্ভর করে।
আরও পড়ুন
-
সকালে মাথাব্যথা ও ক্লান্তি, কখন সতর্ক হবেনশুক্রবার, ২৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬
-
ডেঙ্গু জ্বর হলে যে ৫ বিষয়ে সতর্ক থাকতে হবেরবিবার, ১৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬
-
সামান্য বৃষ্টিতে ভিজলেই জ্বর-সর্দি চলে আসে যে ভিটামিনের অভাবেশুক্রবার, ১০ জুলাই ২০২৬
কৃমির প্রকোপ বেশি এমন এলাকায় শিশুদের জন্য অনেক জনস্বাস্থ্য কর্মসূচিতে প্রতি ৬ মাস অন্তর কৃমিনাশক দেওয়ার ব্যবস্থা রয়েছে। তবে প্রাপ্তবয়স্কদের ক্ষেত্রে নিয়ম করে ছয় মাস পরপর ওষুধ খাওয়া সবসময় প্রয়োজন হয় না। ব্যক্তিভেদে চিকিৎসকের পরামর্শ অনুসরণ করাই নিরাপদ।
অ্যালবেনডাজল বা মেবেনডাজল বিভিন্ন ধরনের কৃমির চিকিৎসায় ব্যবহৃত হয়। তবে কোন ওষুধ কত মাত্রায় এবং কতদিন খেতে হবে, তা সংক্রমণের ধরন ও রোগীর বয়সের ওপর নির্ভর করে।
যাদের ক্ষেত্রে বিশেষ সতর্কতা জরুরি
শিশু, গর্ভবতী নারী, দীর্ঘমেয়াদি রোগে আক্রান্ত ব্যক্তি এবং বারবার কৃমির সংক্রমণ হচ্ছে এমন ব্যক্তিদের নিজের ইচ্ছায় কৃমিনাশক ওষুধ না খেয়ে চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া উচিত।
কৃমি থেকে বাঁচতে যা করবেন
- টয়লেট ব্যবহারের পর ও খাবারের আগে সাবান দিয়ে হাত ধুতে হবে।
- কাঁচা ফল ও সবজি ভালোভাবে পরিষ্কার করে খেতে হবে।
- নিরাপদ ও বিশুদ্ধ পানি পান করতে হবে।
- খাবার ভালোভাবে রান্না করে খেতে হবে।
- খালি পায়ে মাটি বা অপরিষ্কার স্থানে হাঁটা এড়িয়ে চলতে হবে।
- নিয়মিত নখ ছোট ও পরিষ্কার রাখতে হবে।
- টয়লেট ও বাড়ির আশপাশ পরিষ্কার রাখতে হবে।
- শিশুদের অপরিষ্কার হাতে খাবার খাওয়ার অভ্যাস বন্ধ করতে হবে।
মনে রাখবেন: বারবার কৃমিনাশক খাওয়ার চেয়ে সংক্রমণের ধরন শনাক্ত করে প্রয়োজন অনুযায়ী চিকিৎসা নেওয়া বেশি গুরুত্বপূর্ণ। মলে কৃমি দেখা, দীর্ঘদিন ডায়রিয়া, তীব্র পেটব্যথা, ওজন কমে যাওয়া বা রক্তস্বল্পতার মতো সমস্যা হলে চিকিৎসকের পরামর্শ নিন।