বুধবার সকালে ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটিতে আয়োজিত এক সেমিনারে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
অক্টোবরের শুরুতে ডেঙ্গুর সংক্রমণ সর্বোচ্চ হতে পারে: স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী
স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী বলেন, ডেঙ্গু মোকাবিলায় স্বেচ্ছাসেবী সংগঠন ও সাধারণ মানুষকে সম্পৃক্ত করে তিন মাসব্যাপী প্রচারাভিযান চালানো হবে। ঘরবাড়ি ও কর্মস্থল পরিষ্কার রাখার পাশাপাশি এডিস মশার প্রজননস্থল ধ্বংসে সবাইকে এগিয়ে আসতে হবে।
তিনি জানান, সিটি করপোরেশন, স্থানীয় সরকার ও স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় সমন্বিতভাবে পরিচ্ছন্নতা, জনসচেতনতা ও মশার লার্ভা ধ্বংসের কার্যক্রম পরিচালনা করবে। ডেঙ্গুতে আক্রান্ত ও মৃত্যুর হার কমানোই সরকারের প্রধান লক্ষ্য।
আরও পড়ুন
ডেঙ্গু ব্যবস্থাপনায় ইতোমধ্যে প্রায় তিন হাজার চিকিৎসককে পুনঃপ্রশিক্ষণ দেওয়া হয়েছে জানিয়ে প্রতিমন্ত্রী বলেন, জেলা ও উপজেলা পর্যায়েও এ কার্যক্রম অব্যাহত থাকবে।
ডেঙ্গুর সংক্রমণ বাড়লে হাসপাতালগুলোতে শয্যা, স্যালাইন ও পরীক্ষার কিটের সংকট যাতে না হয়, সে জন্য আগাম প্রস্তুতি নেওয়া হয়েছে। বর্তমান রোগীর তুলনায় পর্যাপ্ত পরীক্ষার কিট ও স্যালাইন মজুদ রয়েছে এবং সরকারি হাসপাতালগুলোতে ডেঙ্গুর জন্য নির্ধারিত শয্যা চালু করা হয়েছে।
বেসরকারি হাসপাতালগুলোকেও ডেঙ্গুর সম্ভাব্য সর্বোচ্চ সংক্রমণের সময়ে প্রস্তুত থাকার আহ্বান জানিয়ে তিনি বলেন, প্রয়োজন হলে তাদেরও রোগীদের চিকিৎসায় ভূমিকা রাখতে হবে। একই সঙ্গে ডেঙ্গু চিকিৎসায় অযৌক্তিক ব্যয় বাড়ানো যাবে না এবং রোগীদের জন্য নির্ধারিত শয্যা রাখতে হবে।