জাতীয়

আজ জাতীয় গ্রিডে যুক্ত হচ্ছে সাড়ে ১২ মিলিয়ন ঘনফুট গ্যাস

ঢাকা ম্যাগাজিন ডেস্ক প্রকাশ: শনিবার, ১৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬ ১ মিনিটে পড়া যাবে
বিজ্ঞাপন

বিজিএফসিএল সূত্র জানায়, তিতাস-২৯, ৩০ ও ৩১ এবং বাখরাবাদ-১১ নম্বর কূপের কাজও এগিয়ে চলছে। আগামী তিন থেকে চার মাসের মধ্যে এসব কূপ থেকে আরও প্রায় ৫৫ মিলিয়ন ঘনফুট গ্যাস জাতীয় গ্রিডে যুক্ত হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। সব মিলিয়ে পাঁচটি কূপ থেকে সর্বোচ্চ প্রায় সাড়ে ৬৭ মিলিয়ন ঘনফুট অতিরিক্ত গ্যাস সরবরাহ করা সম্ভব হতে পারে।

বিজ্ঞাপন

বিজিএফসিএলের কর্মকর্তারা জানান, দেশীয় উৎস থেকে গ্যাসের সরবরাহ বাড়াতে নতুন কূপ খনন ও বিদ্যমান গ্যাসক্ষেত্র উন্নয়নের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। তিতাস-২৮ নম্বর কূপের খননকাজ প্রায় এক মাস আগে শেষ হয়েছে। কূপটির গভীরতা প্রায় ১৩ হাজার ফুট।

বিজ্ঞাপন

‘তিতাস ও কামতা ফিল্ডে চারটি মূল্যায়ন-কাম-উন্নয়ন কূপ খনন’ প্রকল্পের পরিচালক প্রকৌশলী এ কে এম জসীম উদ্দিন জানান, প্রায় ৮০০ কোটি টাকা ব্যয়ে কয়েকটি কূপ খননের কাজ চলছে। তিতাস-২৯ নম্বর কূপের মূল খননকাজ শেষ হয়েছে এবং আনুষঙ্গিক কাজ শেষে আগামী এক থেকে দেড় মাসের মধ্যে উৎপাদনে যাওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। এ কূপ থেকে দৈনিক ১০ থেকে ১৫ মিলিয়ন ঘনফুট গ্যাস পাওয়ার আশা করা হচ্ছে।

আরও পড়ুন

এদিকে তিতাস-৩০ নম্বর কূপের কাজ আগামী তিন থেকে চার মাসের মধ্যে শেষ করার পরিকল্পনা রয়েছে। কূপটি থেকে দৈনিক ১০ থেকে ১৫ মিলিয়ন ঘনফুট গ্যাস পাওয়ার প্রত্যাশা করছে বিজিএফসিএল।

বিজ্ঞাপন

গভীর অনুসন্ধান কূপ তিতাস-৩১-এর খননকাজ চলতি বছরের ১৯ এপ্রিল শুরু হয়েছে। ইতোমধ্যে এর গভীরতা প্রায় ৪ হাজার ৯২০ মিটারে পৌঁছেছে। লক্ষ্যমাত্রা ৫ হাজার ৬০০ মিটার। ভূতাত্ত্বিক জটিলতা না থাকলে আগামী দুই থেকে তিন মাসের মধ্যে কাজ শেষ হতে পারে। সফল হলে কূপটি থেকে দৈনিক প্রায় ১৫ মিলিয়ন ঘনফুট গ্যাস পাওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।

বিজ্ঞাপন

তিতাস-৩১-এর পর বাখরাবাদ-১১ নম্বর গভীর কূপের খননকাজ শুরুর পরিকল্পনা রয়েছে। কূপটি থেকে দৈনিক প্রায় ১০ মিলিয়ন ঘনফুট গ্যাস পাওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। ফলে তিতাস-২৯, ৩০ ও ৩১ এবং বাখরাবাদ-১১ থেকে সর্বোচ্চ ৫৫ মিলিয়ন ঘনফুটের সঙ্গে তিতাস-২৮-এর ১২ দশমিক ৫ মিলিয়ন ঘনফুট যোগ হয়ে জাতীয় গ্রিডে অতিরিক্ত প্রায় সাড়ে ৬৭ মিলিয়ন ঘনফুট গ্যাস যুক্ত হতে পারে।

একই বিভাগের আরও খবর