মন্ত্রণালয়ের নির্দেশনা অনুযায়ী, বয়স ও শারীরিক অসুস্থতাসহ নির্দিষ্ট কয়েকটি কারণে কিছু ব্যক্তি আগামী বছরের হজে অংশ নিতে পারবেন না। এসব ক্ষেত্রে হজযাত্রার জন্য প্রয়োজনীয় ফিটনেস সনদও দেওয়া হবে না।
২০২৭ সালের হজে যেতে পারবেন না যারা
যারা হজে যেতে পারবেন না—
১৫ বছরের কম বয়সী শিশু।
আরও পড়ুন
দীর্ঘমেয়াদি হৃদরোগ, ফুসফুস, লিভার ও কিডনি রোগে আক্রান্ত ব্যক্তি।
স্নায়বিক রোগ বা গুরুতর মানসিক অসুস্থতায় আক্রান্ত ব্যক্তি।
ডিমেনশিয়ায় আক্রান্ত ব্যক্তি।
কেমোথেরাপি, বায়োলজিক্যাল থেরাপি বা রেডিওথেরাপি নিচ্ছেন এমন ক্যান্সার রোগী।
যক্ষ্মা, হেমোরেজিক ফিভারসহ জনস্বাস্থ্যের জন্য ঝুঁকিপূর্ণ সক্রিয় সংক্রামক রোগে আক্রান্ত ব্যক্তি।
গর্ভাবস্থার শেষ দুই মাসে থাকা নারী।
উচ্চঝুঁকিপূর্ণ গর্ভাবস্থায় থাকা নারী।
মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, ২৪ সেপ্টেম্বর নিবন্ধন শেষ হওয়ার পর বাংলাদেশ থেকে কতজন হজে যেতে আগ্রহী, সেই চূড়ান্ত সংখ্যা সৌদি কর্তৃপক্ষকে জানানো হবে।
প্রাথমিক নিবন্ধনের সময় হজযাত্রীদের প্রশিক্ষণ ও টিকাদানের জন্য জেলা নির্বাচন, হজের ধরন এবং প্যাকেজ নির্বাচন করতে হবে। একই সঙ্গে পাসপোর্টের মেয়াদ অবশ্যই ৩১ ডিসেম্বর ২০২৭ পর্যন্ত থাকতে হবে।
নির্ধারিত সময়ের মধ্যে প্রাথমিক নিবন্ধন সম্পন্নকারীদের তথ্য সৌদি সরকারের নির্দেশনা অনুযায়ী চূড়ান্ত করে সৌদি কর্তৃপক্ষের কাছে পাঠানো হবে। এ বিষয়ে ১৭ সেপ্টেম্বর বাংলাদেশ ব্যাংকও সংশ্লিষ্ট হজযাত্রী, এজেন্সি ও ব্যাংকগুলোকে নির্ধারিত সময়ের মধ্যে নিবন্ধন সম্পন্ন করার আহ্বান জানিয়েছে।