রোববার (২০ সেপ্টেম্বর) তুহিনের বাসায় গেলে তার মা আইফোনটি তার ছেলের কাছে থাকার বিষয়টি স্বীকার করেন। একই সঙ্গে অপ্রতীমের পরিবারের মতো তারাও সন্তানের মৃত্যু নিয়ে কষ্টে আছেন জানিয়ে ঘটনার সুষ্ঠু বিচার দাবি করেন।
‘আমি একজন মা, আমার কী কওনের আছে’: আটক তুহিনের মা
তুহিনের মা বলেন, ‘আমিও চাই। আমার সন্তান নাই, আমারও কষ্ট লাগে, ওনারও কষ্ট লাগে। ওনার সন্তান তো চইলা গেছে, সন্তান তো আইতো না। সুষ্ঠু বিচার হোক তার। আমি একজন মা, আমার কী কওনের আছে?’
ছেলের পড়াশোনা সম্পর্কে তিনি বলেন, স্কুলে একবার ঝগড়া হওয়ার পর তুহিন আর পড়াশোনা করেনি। পরে সে বাবার ব্যবসা দেখবে বলে জানিয়েছিল।
আরও পড়ুন
আইফোন উদ্ধারের বিষয়ে তুহিনের মা বলেন, তার সামনেই ছেলের ঘর থেকে ফোনটি উদ্ধার করা হয়েছে। তার ভাষ্য, ফোনটি যেহেতু তার ছেলের কাছ থেকে পাওয়া গেছে, তাই অপ্রতীমের ঘটনায় তুহিনকে বেশি সন্দেহ করা হতে পারে। তবে ঘটনার সত্য-মিথ্যা তিনি জানেন না বলেও উল্লেখ করেন।
প্রসঙ্গত, অপ্রতীম কুমিল্লা বর্ডার গার্ড স্কুলের সপ্তম শ্রেণির শিক্ষার্থী ছিল। শুক্রবার (১৮ সেপ্টেম্বর) বিকেল সাড়ে ৩টার দিকে মায়ের আইফোন নিয়ে বন্ধুদের সঙ্গে শালবন বিহারে যাওয়ার কথা বলে বাসা থেকে বের হয় সে। সন্ধ্যার পরও বাসায় না ফেরায় তার মা সদর দক্ষিণ থানায় জিডি করেন।
শনিবার (১৯ সেপ্টেম্বর) দুপুর ১টার দিকে কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়সংলগ্ন ম্যাজিক প্যারাডাইস পার্কের পেছনের একটি টিলা থেকে অপ্রতীমের মরদেহ উদ্ধার করা হয়। রোববার সকালে কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয় মাঠে তার প্রথম জানাজা অনুষ্ঠিত হয়।