জাতীয়

বন্ধ্যাত্বের চিকিৎসায় আধুনিক যন্ত্রপাতি, দক্ষ চিকিৎসক তৈরি করবে সরকার

নিজস্ব প্রতিবেদক প্রকাশ: রবিবার, ২০ সেপ্টেম্বর ২০২৬ ১ মিনিটে পড়া যাবে
বিজ্ঞাপন

ঢাকা মেডিকেল কলেজের রিপ্রোডাক্টিভ এন্ডোক্রাইনোলজি অ্যান্ড ইনফার্টিলিটি ইউনিটে পলিসিস্টিক ওভ্যারি সিনড্রোম (পিসিওএস) সচেতনতা মাস উপলক্ষে আয়োজিত বৈজ্ঞানিক সেমিনারে প্রধান অতিথির বক্তব্যে রোববার তিনি এসব কথা বলেন।

বিজ্ঞাপন

স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেন, সবার জন্য স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিত করা সরকারের অন্যতম লক্ষ্য। বন্ধ্যাত্বের চিকিৎসাও গুরুত্বপূর্ণ স্বাস্থ্যসেবার অংশ। সন্তান জন্ম দিতে না পারায় অনেক দম্পতিকে সামাজিক কটূক্তি ও হয়রানির শিকার হতে হয়। চিকিৎসার মাধ্যমে সমস্যার সমাধান সম্ভব হলে এ ক্ষেত্রে পিছিয়ে থাকার কারণ নেই।

বিজ্ঞাপন

দেশে বন্ধ্যাত্বের চিকিৎসা নিতে রোগীদের বিদেশমুখী প্রবণতা কমানোর ওপর গুরুত্ব দিয়ে তিনি বলেন, দেশের মেধাবী চিকিৎসকেরা সক্ষম হলেও অনেকে ভারত ও থাইল্যান্ডে চিকিৎসা নিতে যান। এতে বিপুল বৈদেশিক মুদ্রা দেশের বাইরে চলে যায়। বিদেশের সমমানের চিকিৎসা দেশে সম্ভব—এমন আস্থা তৈরিতে জনসচেতনতা বাড়ানোর পাশাপাশি জেলা ও গ্রাম পর্যায়ে সচেতনতামূলক কার্যক্রম জোরদার করা হবে।

আরও পড়ুন

তিনি আরও বলেন, বন্ধ্যাত্বের চিকিৎসায় দক্ষ চিকিৎসক তৈরিতে প্রশিক্ষণের ওপর গুরুত্ব দেওয়া হবে এবং সমস্যায় থাকা নারী-দম্পতিদের দেশে চিকিৎসা নিতে উৎসাহিত করা হবে। ‘শতকরা ৮০টি ক্ষেত্রেও যদি আমরা সফল হই, সেটিই দেশের জন্য বড় সাফল্য’—বলেন তিনি।

বিজ্ঞাপন

অধ্যাপক ডা. মুসারাত সুলতানার সভাপতিত্বে সেমিনারে বিশেষ অতিথি ছিলেন স্বাস্থ্য সেবা বিভাগের সচিব ড. আ ন ম বজলুর রশীদ, স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের মহাপরিচালক ডা. প্রভাত চন্দ্র বিশ্বাস, ঢাকা মেডিকেল কলেজের অধ্যক্ষ ডা. মো. মাজহারুল শাহীন এবং পরিচালক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল এ কে এম ফরহাদ হোসেন। সেমিনারে মুখবন্ধ পাঠ করেন সহকারী অধ্যাপক ডা. উমা নাগ শম্পা।

বিজ্ঞাপন

একই বিভাগের আরও খবর