মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের সম্মেলন কক্ষে আয়োজিত অনুষ্ঠানে মন্ত্রণালয়ের আন্তর্জাতিক সংস্থা ও সহযোগিতা অনুবিভাগের যুগ্মসচিব বেবী রাণী কর্মকার এবং আইসিসিসিএডির রিসার্চ অ্যান্ড পলিসি অ্যাডভাইজার ড. ফজলে রাব্বি সাদেক আহমেদ নিজ নিজ প্রতিষ্ঠানের পক্ষে সমঝোতা স্মারকে স্বাক্ষর করেন।
জলবায়ু সহনশীলতা বাড়াতে মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের সঙ্গে আইসিসিসিএডির সমঝোতা
অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন মন্ত্রণালয়ের সচিব মো. দেলোয়ার হোসেন। তিনি বলেন, জলবায়ু পরিবর্তন মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ খাতের জন্য গুরুত্বপূর্ণ চ্যালেঞ্জ। সমঝোতা স্মারকটি যেন শুধু আনুষ্ঠানিকতায় সীমাবদ্ধ না থাকে, বরং এর আওতায় কার্যক্রম বাস্তবায়নের মাধ্যমে খাতটির উন্নয়নে কার্যকর ভূমিকা রাখতে হবে।
সমঝোতা অনুযায়ী, মন্ত্রণালয়, অধিদপ্তর ও গবেষণা প্রতিষ্ঠানগুলোর জলবায়ু পরিবর্তন মোকাবিলায় সক্ষমতা বাড়াতে আইসিসিসিএডি সহযোগিতা করবে। পাশাপাশি গ্রিন ক্লাইমেট ফান্ডসহ আন্তর্জাতিক অর্থায়নকারী প্রতিষ্ঠান থেকে প্রকল্প প্রণয়ন ও অর্থায়নের সুযোগ কাজে লাগাতেও সহায়তা দেওয়া হবে।
আরও পড়ুন
এ ছাড়া মন্ত্রণালয়ের নীতি, কর্মসূচি ও কার্যক্রমে জলবায়ু পরিবর্তনবিষয়ক বিষয়গুলোকে মূলধারায় অন্তর্ভুক্ত করা, প্রাতিষ্ঠানিক সক্ষমতা বৃদ্ধি এবং আন্তর্জাতিক ফোরাম ও নীতিনির্ধারণী সংলাপে অংশগ্রহণ জোরদারে কারিগরি সহায়তা দেওয়া হবে।
জলবায়ু পরিবর্তনবিষয়ক জাতিসংঘের সম্মেলন (কপ)-এ মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তাদের দক্ষতা বাড়াতে প্রশিক্ষণ ও প্রয়োজনীয় সহায়তাও দেবে আইসিসিসিএডি। সচিব আশা প্রকাশ করেন, সমন্বিত প্রচেষ্টায় সমঝোতা স্মারকটি সফলভাবে বাস্তবায়িত হবে।
অনুষ্ঠানে বাংলাদেশ মৎস্য উন্নয়ন কর্পোরেশনের মো. মীর হোসেন, অতিরিক্ত সচিব নীলুফা আক্তার, মৎস্য অধিদপ্তরের মহাপরিচালক ড. মো. খালেদ কনক, বাংলাদেশ মৎস্য গবেষণা ইনস্টিটিউটের মহাপরিচালক ড. মো. লতিফুল ইসলাম, প্রাণিসম্পদ অধিদপ্তরের পরিকল্পনা ও মূল্যায়নকোষের চিফ ড. মো. হাবিবুর রহমান এবং আইসিসিসিএডির ব্যবস্থাপনা পরিচালক সাকিব হকসহ সংশ্লিষ্টরা উপস্থিত ছিলেন।