প্রজ্ঞাপনে বলা হয়েছে, Imports and Exports (Control) Act, 1950-এর ধারা ৩-এর উপধারা (১) এবং আমদানি নীতি আদেশ, ২০২৬–২০২৯-এর অনুচ্ছেদ ২০ ও ২২-এ প্রদত্ত ক্ষমতাবলে এসব সংশোধন করা হয়েছে।
আমদানি নীতি আদেশে একাধিক সংশোধন, শিল্প ও আমদানিকারকদের জন্য নতুন বিধান
সংশোধিত বিধানের মধ্যে রয়েছে, বেসরকারি আমদানিকারকদের সাধারণ বিমা করপোরেশন, বাংলাদেশি বিমা কোম্পানি অথবা প্রযোজ্য ক্ষেত্রে বিদেশি বিমা কোম্পানির কাছ থেকে ইস্যুকৃত কভার নোট ও সংশ্লিষ্ট বিমা পলিসি পণ্য খালাসের সময় কাস্টমস কর্তৃপক্ষের কাছে ইলেকট্রনিক পদ্ধতিতে অনলাইনে দাখিল করতে হবে।
এ ছাড়া আমদানি নীতির সংশ্লিষ্ট ধারায় ‘বিনামূল্যে’ শব্দ সংযোজনের পাশাপাশি বিশেষ ধরনের কৃত্রিম তন্তু দিয়ে তৈরি পোশাক, সীমলেস (সেলাইবিহীন) স্পোর্টসওয়্যার, উচ্চমূল্যের ফ্যাশন আইটেম ও ফ্যাশনাল পোশাক তৈরিতে ব্যবহৃত বিশেষ ধরনের কাপড় আমদানির ক্ষেত্রে সংশ্লিষ্ট অ্যাসোসিয়েশনের সুপারিশের বিষয়টি অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে।
আরও পড়ুন
প্রজ্ঞাপনে আরও বলা হয়েছে, বিশেষায়িত পণ্য ও নির্দিষ্ট কাঁচামাল আমদানির ক্ষেত্রে সংশ্লিষ্ট শর্তাবলিতে প্রয়োজনীয় পরিবর্তন আনা হয়েছে। আমদানি নীতির কয়েকটি ধারায় ইউটিলাইজেশন ডিক্লারেশন (ইউডি), কাঁচামাল সংগ্রহ এবং আমদানির পরিমাণ সংক্রান্ত শব্দ ও বিধানও সংশোধন করা হয়েছে।
বড় লাইসেন্সধারী শিল্প প্রতিষ্ঠানের ক্ষেত্রে লবণ আমদানির পরিমাণ নির্ধারণের বিধানেও পরিবর্তন আনা হয়েছে। সংশোধিত শর্ত অনুযায়ী, কাস্টমস কর্তৃপক্ষের অনুমোদিত বার্ষিক প্রাপ্যতা ও প্রকৃত ব্যবহারের ভিত্তিতে লবণ আমদানির পরিমাণ নির্ধারণ করা হবে এবং এ ক্ষেত্রে পোষক কর্তৃপক্ষের সুপারিশ গ্রহণ করতে হবে না।
শিল্প খাতের জন্য আরও গুরুত্বপূর্ণ একটি সংশোধনের মাধ্যমে বলা হয়েছে, সকল অনুমোদিত শিল্প প্রতিষ্ঠান আমদানি নিবন্ধন সনদ (আইআরসি) ব্যতীত কোনো প্রতিষ্ঠান স্থাপনের প্রয়োজনে ক্যাপিটাল মেশিনারিজ আমদানি করতে পারবে। একই সঙ্গে কোনো শিল্প প্রতিষ্ঠানের ক্যাপিটাল মেশিনারিজ সচল ও উৎপাদনক্ষম রাখার প্রয়োজনে প্রয়োজনীয় যন্ত্রাংশ মেরামত ও রক্ষণাবেক্ষণের জন্য প্রয়োজনীয় যন্ত্রাংশ আমদানির সুযোগও রাখা হয়েছে।
প্রজ্ঞাপনে উল্লেখ করা হয়েছে, সংশোধিত আদেশটি অবিলম্বে কার্যকর হবে। প্রজ্ঞাপনটি রাষ্ট্রপতির আদেশক্রমে বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের যুগ্মসচিব সুরত কুমার দে স্বাক্ষর করেছেন।