ভাষণে বাংলাদেশের গণতান্ত্রিক অগ্রযাত্রা, আইনের শাসন ও জবাবদিহি, বিশ্ব শান্তি ও নিরাপত্তা, জলবায়ু পরিবর্তন, টেকসই উন্নয়ন, অর্থনৈতিক সহযোগিতা, যুব ও নারীর ক্ষমতায়ন, শিক্ষা-স্বাস্থ্য এবং বহুপাক্ষিক ব্যবস্থার সংস্কার নিয়ে বক্তব্য দেওয়ার কথা রয়েছে। পাশাপাশি রোহিঙ্গা সংকট ও আধুনিক প্রযুক্তির ন্যায়সঙ্গত ব্যবহারের বিষয়ও গুরুত্ব পাবে।
জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদে আজ বাংলায় ভাষণ দেবেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান
রোহিঙ্গা সংকটের স্থায়ী সমাধানে আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের ভূমিকা বাড়ানোর আহ্বান জানাবেন প্রধানমন্ত্রী। জাতিসংঘের মিয়ানমারবিষয়ক বিশেষ দূত জুলি বিশপ ও ইউএনএইচসিআর প্রধান বারহাম সালেহের সঙ্গে বৈঠকেও বিষয়টি আলোচনায় এসেছে। রোহিঙ্গাদের নিরাপদ, মর্যাদাপূর্ণ ও টেকসই প্রত্যাবাসনের পাশাপাশি সংকটের রাজনৈতিক সমাধানের প্রয়োজনীয়তা তুলে ধরবে বাংলাদেশ।
সফরে অর্থনৈতিক কূটনীতিতেও গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে। আগামী ২৫ সেপ্টেম্বর ওয়াল স্ট্রিটের প্রতিনিধিদের সঙ্গে প্রধানমন্ত্রীর বৈঠকের কর্মসূচি রয়েছে। সেখানে বাংলাদেশের বিনিয়োগ সম্ভাবনা, অর্থনীতি ও ব্যবসায়িক সহযোগিতা নিয়ে আলোচনা হতে পারে।
আরও পড়ুন
এ ছাড়া তুরস্ক, ভুটান, মালদ্বীপ ও হাইতির শীর্ষ নেতৃত্বের সঙ্গে বৈঠক করেছেন প্রধানমন্ত্রী। পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী শাহবাজ শরিফ ও থাইল্যান্ডের প্রধানমন্ত্রী আনুতিন চার্নভিরাকুলের সঙ্গেও বৈঠকের কর্মসূচি রয়েছে। এসব বৈঠকে দ্বিপক্ষীয় সম্পর্ক, বাণিজ্য, বিনিয়োগ ও পারস্পরিক স্বার্থসংশ্লিষ্ট বিষয় আলোচনায় আসবে।
প্রধানমন্ত্রীর বাবা শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান ১৯৮০ সালের ২৬ আগস্ট এবং মা সাবেক প্রধানমন্ত্রী প্রয়াত খালেদা জিয়া ১৯৯৩ সালের ১ অক্টোবর জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদে ভাষণ দেন। তারেক রহমানের আজকের ভাষণের মধ্য দিয়ে জাতিসংঘে জিয়া পরিবারের উপস্থিতির ধারাবাহিকতায় নতুন অধ্যায় যুক্ত হতে যাচ্ছে।