সংশ্লিষ্টদের ভাষ্য, আওয়ামী লীগের কিছু নেতা আগে জুম ও হোয়াটসঅ্যাপ ব্যবহার করলেও এখন বিদেশি নম্বর দিয়ে টেলিগ্রামে যোগাযোগ করছেন। এসব যোগাযোগ শনাক্ত ও সংশ্লিষ্টদের অবস্থান জানতে কাজ করছে গোয়েন্দা সংস্থাগুলো।
আ. লীগ নেতাদের তালিকা তৈরি, নজরদারিতে অটোরিকশা ও মোটরসাইকেল চালকেরা
গোয়েন্দা সূত্রের দাবি, গত কয়েক মাসে ঝটিকা মিছিল, ককটেল বিস্ফোরণ ও অগ্নিসংযোগের মতো ঘটনায় আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীদের সম্পৃক্ততার তথ্য পাওয়া গেছে। এসব ঘটনায় নির্দেশনা ও অর্থের উৎস শনাক্তের পাশাপাশি আটক ব্যক্তিদের কাছ থেকে পাওয়া তথ্যও যাচাই করা হচ্ছে।
গোয়েন্দাদের তথ্য অনুযায়ী, গ্রাম ছেড়ে আওয়ামী লীগের অনেক নেতাকর্মী ঢাকায় অবস্থান করছেন। তাদের কেউ কেউ রাইড শেয়ারিং ও অটোরিকশা চালানোর মতো পেশায় যুক্ত হয়েছেন। বাইরের জেলার মোটরসাইকেলের চলাচল এবং চালকদের রাজনৈতিক কর্মকাণ্ডে সম্পৃক্ততার বিষয়ও খতিয়ে দেখা হচ্ছে।
আরও পড়ুন
সাম্প্রতিক একটি মিছিলের বিষয়ে পুলিশ অল্প সময় আগে তথ্য পাওয়ায় তাৎক্ষণিকভাবে সবাইকে আটক করা সম্ভব হয়নি বলে কর্মকর্তারা জানান। এরপর এলাকাভিত্তিক তালিকা তৈরির ওপর জোর দেওয়া হয়েছে। পুলিশ, ডিবি ও মাঠপর্যায়ের গোয়েন্দারা এ কাজে যুক্ত রয়েছেন।
পুলিশ সদর দপ্তরের ক্রাইম অ্যান্ড অপস বিভাগের অতিরিক্ত আইজিপি সায়েদুর রহমান বলেন, সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ডে জড়িতদের নিয়ন্ত্রণে তালিকা করা হচ্ছে। এটি পুলিশের নিয়মিত কার্যক্রম এবং তালিকা তৈরির কাজ চলমান রয়েছে।