বুধবার মন্ত্রণালয়ে তুরস্কের রাষ্ট্রদূত রামিস শেনের নেতৃত্বে একটি প্রতিনিধিদলের সঙ্গে বৈঠকে তিনি এ আহ্বান জানান। বৈঠকে দুই দেশের বিমান যোগাযোগ, পর্যটন, বিনিয়োগ ও জনগণের মধ্যে যোগাযোগ বাড়ানোর বিভিন্ন বিষয় নিয়ে আলোচনা হয়।
বাংলাদেশ-তুরস্কের বিমান ও পর্যটন খাতে সহযোগিতা বাড়ানোর আহ্বান
বর্তমানে টার্কিশ এয়ারলাইন্স ঢাকা-ইস্তাম্বুল রুটে সপ্তাহে সাতটি ফ্লাইট পরিচালনা করছে। অতিরিক্ত তিনটি ফ্লাইট পরিচালনার বিষয়ে তুরস্কের আগ্রহকে স্বাগত জানিয়ে মন্ত্রী বলেন, শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের তৃতীয় টার্মিনাল চালু হলে ফ্লাইট বাড়ানোর সুযোগ আরও সম্প্রসারিত হবে।
চট্টগ্রাম ও সিলেট আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর থেকেও তুরস্কের সঙ্গে সরাসরি বিমান যোগাযোগ সম্প্রসারণের বিষয়টি বিবেচনার আহ্বান জানান তিনি। এতে বিশেষ করে সিলেট ও চট্টগ্রামের প্রবাসীদের আন্তর্জাতিক যাতায়াত সহজ হবে বলে জানান মন্ত্রী।
আরও পড়ুন
পর্যটন খাতে বাংলাদেশের ১ হাজার ৪৯৮টি পর্যটন স্পট পাবলিক-প্রাইভেট পার্টনারশিপের (পিপিপি) আওতায় উন্নয়নের উদ্যোগের কথা তুলে ধরে তুরস্কের বিনিয়োগকারীদের এ খাতে বিনিয়োগের আহ্বান জানান তিনি।
বৈঠকে বাংলাদেশি নাগরিকদের জন্য তুরস্কের ভিসা প্রক্রিয়া সহজ করার বিষয়েও আলোচনা হয়। দুই দেশের মধ্যে বিমান যোগাযোগ, পর্যটন, বিনিয়োগ ও জনগণের পারস্পরিক যোগাযোগ আরও জোরদারে উভয় পক্ষ আগ্রহ প্রকাশ করে।