শুক্রবার (২ অক্টোবর) সকালে যুবদল কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটির সভাপতি আবদুল মোনায়েম মুন্না ও সাধারণ সম্পাদক মোহাম্মদ নূরুল ইসলাম নয়ন এমপির সিদ্ধান্তে এ ব্যবস্থা নেওয়া হয়। এক বিজ্ঞপ্তিতে বিষয়টি জানানো হয়েছে।
থানায় পুলিশ সদস্যকে মারধরের ঘটনায় যুবদল নেতা বহিষ্কার
বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, বহিষ্কৃত নেতার কোনো অপকর্মের দায় দল নেবে না। যুবদলের সব পর্যায়ের নেতাকর্মীকে তার সঙ্গে সাংগঠনিক সম্পর্ক না রাখার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। একই সঙ্গে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীকে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার আহ্বান জানানো হয়।
থানা সূত্রে জানা যায়, বৃহস্পতিবার (১ অক্টোবর) রাতে ব্যক্তিগত গাড়ি নিয়ে থানায় যান ইসমাইল হোসেন। গাড়ি পার্কিং নিয়ে এক কনস্টেবল ও ওসির গাড়িচালক মো. শফিকের সঙ্গে তার বাগ্বিতণ্ডা হয়। একপর্যায়ে হাতাহাতির ঘটনায় শফিক আহত হন।
আরও পড়ুন
পরে তাকে সীতাকুণ্ড উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসা দেওয়া হয়। পুলিশ ইসমাইল হোসেনকে আটক করলেও প্রায় চার ঘণ্টা পর তাকে ছেড়ে দেওয়া হয়।
ঘটনার পর দলীয় শৃঙ্খলাভঙ্গ ও আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর দায়িত্ব পালনে বাধা দেওয়ার অভিযোগে ইসমাইল হোসেনের বিরুদ্ধে সাংগঠনিক ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে বলে বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়।