বুধবার (৭ অক্টোবর) রাজধানীর তেজগাঁও শিল্পাঞ্চলে বাংলাদেশ ক্ষুদ্র ও কুটির শিল্প করপোরেশন (বিসিক) আয়োজিত পাঁচ দিনব্যাপী ‘শরৎমেলা’র উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে তিনি এসব কথা বলেন।
জাতীয়
গার্মেন্টসের চেয়েও কুটির শিল্পে আয়ের সম্ভাবনা: গয়েশ্বর
গয়েশ্বর চন্দ্র রায় বলেন, দেশের কারিগরদের দক্ষতায় তৈরি নকশিকাঁথা, শীতলপাটি, মাটির তৈজসপত্র ও টেরাকোটাসহ ঐতিহ্যবাহী পণ্যের চাহিদা রয়েছে। এসব পণ্যের মান উন্নয়নের পাশাপাশি কার্যকর প্রচার ও বাজারজাত সুবিধা বাড়ানো গেলে কর্মসংস্থানও বাড়বে।
নারীদের অর্থনৈতিক স্বাবলম্বিতায় কুটির শিল্পের ভূমিকা তুলে ধরে তিনি বলেন, অনেক নারী ঘরে বসে এসব কাজ করে আয় করছেন। প্রশিক্ষণ ও প্রয়োজনীয় সহায়তা বাড়ানো গেলে তাদের আরও বেশি স্বাবলম্বী করা সম্ভব।
আরও পড়ুন
সরকারি প্রশাসনে জটিলতা কমানোর আহ্বান জানিয়ে তিনি বলেন, উদ্যোক্তা ও ব্যবসায়ীদের কাজ দ্রুত নিষ্পত্তি করতে হবে। ‘ফাইলের চাকা’ সচল রেখে প্রশাসনিক সিদ্ধান্ত দ্রুত বাস্তবায়ন করা গেলে অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ড আরও গতিশীল হবে।
পরিবেশ দূষণের দায় ও দায়িত্ব বণ্টনের ক্ষেত্রে উন্নত ও উন্নয়নশীল দেশগুলোর বাস্তবতা বিবেচনারও আহ্বান জানান তিনি।