বৃহস্পতিবার সকালে রাজধানীর রমনায় ইঞ্জিনিয়ার্স ইনস্টিটিউশন মিলনায়তনে শিক্ষক-কর্মচারী ঐক্যজোট আয়োজিত সম্মেলনে বিশেষ অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন।
শিক্ষকদের জাতীয়করণ আজ হোক, কাল হোক, হবেই: প্রতিমন্ত্রী
মীর শাহে আলম বলেন, শিক্ষকদের পদমর্যাদা ও জীবনমান উন্নয়নের স্বার্থে বেসরকারি শিক্ষক-কর্মচারীদের জাতীয়করণ আজ হোক, কাল হোক, হবেই। জাতীয়করণ বাস্তবায়নে শিক্ষকদের বড় পরিসরে শান্তিপূর্ণ ও গণতান্ত্রিক কর্মসূচির মাধ্যমে সরকারের কাছে দাবি তুলে ধরার পরামর্শ দেন তিনি।
তিনি জানান, ২০২২ থেকে ২০২৬ সাল পর্যন্ত অবসরে যাওয়া প্রায় এক লাখ শিক্ষক-শিক্ষিকার ভাতা দিতে ২ হাজার কোটি টাকার বিশেষ তহবিল গঠন করা হয়েছে। জাতীয়করণের জন্য বছরে অতিরিক্ত ৭০০ থেকে ৮০০ কোটি টাকা প্রয়োজন বলেও জানান প্রতিমন্ত্রী।
আরও পড়ুন
শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে সৌরবিদ্যুৎ ব্যবহারের উদ্যোগের কথা জানিয়ে তিনি বলেন, প্রতিটি প্রতিষ্ঠানের ছাদে ৫ দশমিক ৫ কিলোওয়াট ক্ষমতার সৌরবিদ্যুৎ প্যানেল স্থাপনে আর্থিক অনুদান দেওয়ার পরিকল্পনা রয়েছে। এতে বিদ্যুৎ সরবরাহ নিশ্চিত হওয়ার পাশাপাশি অতিরিক্ত বিদ্যুৎ জাতীয় গ্রিডে বিক্রি করে প্রতিষ্ঠানগুলো মাসে ৫ থেকে ১০ হাজার টাকা আয় করতে পারবে।
শিক্ষকদের সামাজিক মর্যাদা তুলে ধরে প্রতিমন্ত্রী বলেন, শিক্ষকরাই সমাজের সব পেশার ভিত্তি তৈরি করেন। তাদের মর্যাদা ক্ষুণ্ন করে এমন অপপ্রচারের বিরুদ্ধে সবাইকে ঐক্যবদ্ধভাবে প্রতিরোধ গড়ে তুলতে হবে।
স্থানীয় সরকার নির্বাচনে শিক্ষকদের অংশগ্রহণ প্রসঙ্গে তিনি বলেন, বেসরকারি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান পূর্ণাঙ্গ জাতীয়করণ না হওয়া পর্যন্ত শিক্ষকদের স্থানীয় সরকার নির্বাচনে অংশ নিতে আইনি বা নীতিগত কোনো বাধা নেই।
সম্মেলনে বিএনপির ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব ও প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা অ্যাডভোকেট রুহুল কবির রিজভী প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন। আরও উপস্থিত ছিলেন সংসদ সদস্য ও শিক্ষক নেতা অধ্যক্ষ মো. সেলিম ভূঁইয়া, শিক্ষক-কর্মচারী ঐক্যজোটের মহাসচিব চৌধুরী মুগীস উদ্দিন মাহমুদ এবং বাংলাদেশ শিক্ষক সমিতির মহাসচিব মো. জাকির হোসেনসহ অন্যরা।