প্রজ্ঞাপন অনুযায়ী, ড. দুলাল কৃষ্ণ সাহা দীর্ঘদিন ধরে বিভিন্ন জেলার আদালতের সমন ও সাক্ষ্য প্রদানের সনদ জাল করে সরকারি অর্থ উত্তোলন করতেন বলে তদন্তে উঠে এসেছে। এ ছাড়া ষষ্ঠ গ্রেডের কর্মকর্তা হিসেবে বিমানে ভ্রমণের প্রাধিকার না থাকলেও গত ২৩ বছরে শতাধিকবার বিমান ভ্রমণের বিল দাখিল করে অর্থ উত্তোলনের অভিযোগ রয়েছে তাঁর বিরুদ্ধে।
জাতীয়
মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের প্রধান রাসায়নিক পরীক্ষকের বাধ্যতামূলক অবসর
প্রাথমিক তদন্তে বিধিবহির্ভূতভাবে ৩ লাখ ১৫ হাজার ৭৫৭ টাকা উত্তোলন করে সরকারের আর্থিক ক্ষতি করার প্রমাণ পাওয়া গেছে। ভ্রমণ বিবরণী, বিল ও প্রত্যয়নপত্রে স্বাক্ষরের অসংগতিও তদন্তে চিহ্নিত করা হয়েছে।
তদন্তকারী কর্মকর্তার প্রতিবেদনে অসদাচরণের অভিযোগ প্রমাণিত হওয়ায় তাঁকে কারণ দর্শানোর নোটিশ দেওয়া হয়। পরে বাংলাদেশ সরকারি কর্ম কমিশনের পরামর্শক্রমে গুরুদণ্ড হিসেবে বাধ্যতামূলক অবসরের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। বর্তমানে তিনি সিলেটে সংযুক্ত ছিলেন।
আরও পড়ুন
স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সচিব মনজুর মোর্শেদ চৌধুরী রাষ্ট্রপতির আদেশক্রমে প্রজ্ঞাপনে স্বাক্ষর করেন।