আজ জুলাই গণঅভ্যুত্থান স্মৃতি জাদুঘর প্রাঙ্গণে দিনব্যাপী আর্ট ক্যাম্প ‘বিস্মৃতির বিরুদ্ধে স্মৃতি’ উদ্বোধনকালে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন। অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি ছিলেন প্রধানমন্ত্রীর পলিসি ও স্ট্র্যাটেজি, তথ্য ও সম্প্রচার এবং সংস্কৃতিবিষয়ক উপদেষ্টা ডা. জাহেদ উর রহমান।
জুলাই গণঅভ্যুত্থানের স্মৃতি সংরক্ষণে শিল্পীদের গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রয়েছে: সংস্কৃতিমন্ত্রী
মন্ত্রী বলেন, মহান মুক্তিযুদ্ধ, ১৯৬৯-এর গণঅভ্যুত্থানসহ দেশের বিভিন্ন গণতান্ত্রিক আন্দোলনে মানুষ অধিকার প্রতিষ্ঠায় আত্মত্যাগ করেছে। জুলাই গণঅভ্যুত্থানেও ছাত্র-জনতা, শ্রমজীবী মানুষ ও বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষের সম্মিলিত অংশগ্রহণ ছিল। তাঁদের সংগ্রাম ও আত্মত্যাগ বাংলাদেশের গণতান্ত্রিক ইতিহাসে গুরুত্বপূর্ণ অধ্যায় হয়ে থাকবে।
জুলাই গণঅভ্যুত্থানে শহীদদের শ্রদ্ধার সঙ্গে স্মরণ করে নিতাই রায় চৌধুরী বলেন, আহত ও পঙ্গুত্ববরণকারীসহ আন্দোলনে আত্মত্যাগকারীদের অবদান জাতির ইতিহাসে চিরস্মরণীয় হয়ে থাকবে। নতুন প্রজন্মের কাছে এ আন্দোলনের ইতিহাস ও মূল্যবোধ তুলে ধরা সবার নৈতিক দায়িত্ব।
আরও পড়ুন
পরে মন্ত্রী আর্ট ক্যাম্পে প্রদর্শিত চিত্রকর্ম ঘুরে দেখেন এবং অংশগ্রহণকারী শিল্পীদের সঙ্গে কথা বলেন। দেশের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে আসা শিল্পীরা তাঁদের চিত্রকর্মে জুলাই গণঅভ্যুত্থানের বিভিন্ন ঘটনা, ছাত্র-জনতার সংগ্রাম, সাহস, আত্মত্যাগ ও গণতন্ত্রের আকাঙ্ক্ষা তুলে ধরেন।
অনুষ্ঠানে জুলাই গণঅভ্যুত্থান স্মৃতি জাদুঘরের মহাপরিচালক এহসান মাহমুদসহ সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তা, শিল্পী ও সংস্কৃতিকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।