আইএমএফের পূর্বাভাসকে বরাবরই কিছুটা রক্ষণশীল উল্লেখ করে উপদেষ্টা বলেন, সংস্থাটি সংস্কার না হওয়ার সম্ভাবনার ভিত্তিতে তাদের প্রক্ষেপণ প্রকাশ করেছে। তবে সরকারের নির্বাচনী ইশতেহার ও পঞ্চবার্ষিক অর্থনৈতিক কৌশলে প্রয়োজনীয় সংস্কারের সুস্পষ্ট রূপরেখা থাকায় কাঙ্ক্ষিত প্রবৃদ্ধি অর্জন সম্ভব। মূল্যস্ফীতির বিষয়ে তিনি জানান, মধ্যপ্রাচ্যের সংকট এবং পূর্ববর্তী সরকারের রেখে যাওয়া প্রলম্বিত মূল্যস্ফীতির চাপ এখন বইতে হচ্ছে। অতীতে সামাজিক সুরক্ষা কর্মসূচির সঠিক বণ্টন না থাকায় দরিদ্র মানুষের সংখ্যা বেড়েছিল। এ পরিস্থিতি মোকাবিলায় ফ্যামিলি কার্ড ও ফারমার্স কার্ডের মতো বৈজ্ঞানিক ও ডিজিটাল সুরক্ষামূলক ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে, যার প্রশংসাও করেছে আন্তর্জাতিক সংস্থাগুলো। এছাড়া ২০৩০ সালের মধ্যে কর-জিডিপির অনুপাত ১০ শতাংশে উন্নীত করা সরকারের অন্যতম লক্ষ্য।
অর্থনীতি
আইএমএফের রক্ষণশীল পূর্বাভাস ছাপিয়ে ৬.৫ শতাংশ প্রবৃদ্ধির আশা সরকারের
ব্যাংকিং খাতে শৃঙ্খলা ফেরানো প্রসঙ্গে রাশেদ আল মাহমুদ তিতুমীর বলেন, বিগত সরকারের আমলে ব্যাংক খাত থেকে প্রায় ৪০ বিলিয়ন ডলার লুটপাটের আর্থিক অপরাধ সংঘটিত হয়েছে, যার দায় বহন করতে হচ্ছে দেশের জনগণকে। সম্মিলিত আইনি ও কাঠামোগত পদক্ষেপের মাধ্যমে খেলাপি ঋণ থেকে উত্তরণ এবং আমানতকারীদের আস্থা ফিরিয়ে আনার কাজ চলছে। একই সঙ্গে দেশে ও বিদেশে অবস্থানরত অর্থ লুটকারী এবং তাদের সহায়তাকারীদের অবশ্যই জবাবদিহির আওতায় আনা হবে বলে তিনি হুঁশিয়ারি দেন।