আন্তর্জাতিক বাজারে ব্রেন্ট ক্রুডের দাম শূন্য দশমিক ৩৬ শতাংশ বেড়ে প্রতি ব্যারেল ১১৩ দশমিক ৫৮ ডলারে পৌঁছেছে। একই সময়ে যুক্তরাষ্ট্রের ওয়েস্ট টেক্সাস ইন্টারমিডিয়েট (ডব্লিউটিআই) তেলের দাম শূন্য দশমিক ৩৩ শতাংশ বেড়ে ব্যারেলপ্রতি ৯৯ দশমিক ৮০ ডলারে দাঁড়িয়েছে। চলতি সপ্তাহে ব্রেন্ট ক্রুডের দাম প্রায় ৩ শতাংশ বেড়েছে।
মধ্যপ্রাচ্যে উত্তেজনা, বিশ্ববাজারে আবারও বাড়ল তেলের দাম
সৌদি আরবে জ্বালানি স্থাপনা ও পরিবহনকেন্দ্রে হামলার খবর এবং ইরানে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের সম্ভাব্য নতুন সামরিক অভিযান নিয়ে জল্পনা বাজারের উদ্বেগ বাড়িয়েছে। এসব ঘটনার কারণে তেলের উৎপাদন, পরিবহন ও সরবরাহব্যবস্থা ব্যাহত হওয়ার আশঙ্কা তৈরি হয়েছে।
মধ্যপ্রাচ্য বিশ্ব জ্বালানি সরবরাহের গুরুত্বপূর্ণ কেন্দ্র হওয়ায় এ অঞ্চলে সংঘাত বাড়লে আমদানিনির্ভর দেশগুলোর অর্থনীতিতেও চাপ সৃষ্টি হতে পারে। বিশেষ করে তেল উৎপাদনকেন্দ্র, রপ্তানি টার্মিনাল ও সমুদ্রপথে পরিবহন ব্যাহত হলে আন্তর্জাতিক বাজারে দাম আরও অস্থির হয়ে উঠতে পারে।
আরও পড়ুন
প্রতিবেদনে নিউইয়র্ক টাইমসের বরাতে বলা হয়েছে, যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যবর্তী নির্বাচনের পর আগামী মাসের শুরুতে ইরানে নতুন হামলার পরিকল্পনা করছে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েল। তবে সম্ভাব্য হামলার সময়সূচি ও বাস্তবায়ন নিয়ে অনিশ্চয়তা রয়েছে।
চলতি বছরে যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের সংঘাতের প্রভাবে ব্রেন্ট ক্রুডের দাম ৮৫ শতাংশের বেশি বেড়েছে বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে। সংঘাত দীর্ঘায়িত হলে জ্বালানি সরবরাহে আরও বিঘ্ন ঘটতে পারে, যার প্রভাব পড়তে পারে বিশ্ববাজারের দাম ও আমদানিনির্ভর অর্থনীতিতে।