প্রতিবেদন অনুযায়ী, ভূমিকম্পটির কেন্দ্রস্থল ছিল নাগকু অঞ্চলের বাকেন এলাকায়। এ ছাড়া কামদো ও নিংচি শহরেও শক্তিশালী কম্পন অনুভূত হয়।
ভূমিকম্পে ক্ষতিগ্রস্ত এলাকায় বিদ্যুৎ সরবরাহ ব্যাহত হয়েছে এবং তিন শতাধিক বাড়ি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। ভূমিধসের কারণে বিভিন্ন সড়ক বন্ধ হয়ে যাওয়ায় দুর্গম পার্বত্য এলাকায় উদ্ধারকাজ পরিচালনা কঠিন হয়ে পড়েছে।
এর আগে ২০২৩ সালে চীনের গানসু প্রদেশে ৬ দশমিক ২ মাত্রার ভূমিকম্পে ১২০ জনের বেশি মানুষের মৃত্যু হয়েছিল।
তিব্বত চীনের কঠোরভাবে নিয়ন্ত্রিত অঞ্চলগুলোর একটি। সেখানে বিদেশি গণমাধ্যমকর্মীদের প্রবেশে বিধিনিষেধ থাকায় পরিস্থিতি সম্পর্কে স্বাধীনভাবে তথ্য সংগ্রহ সীমিত।
সূত্র: বিবিসি




