বৈঠকে খাদ্যমন্ত্রী জানান, সরকারি খাদ্যগুদামে সংরক্ষিত চালের মান দীর্ঘমেয়াদে বজায় রাখতে একটি সমন্বিত নীতিমালা ও স্ট্যান্ডার্ড অপারেটিং প্রসিডিউর (এসওপি) প্রণয়নে ডব্লিউএফপির কারিগরি সহায়তা প্রয়োজন। পাশাপাশি খাদ্যবান্ধব কর্মসূচিতে বিতরণ করা ফর্টিফায়েড চালের পুষ্টিগত কার্যকারিতা যাচাইয়ে ৪ থেকে সাড়ে ৪ লাখ মার্কিন ডলার ব্যয়ে একটি মূল্যায়ন গবেষণা পরিচালনার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে, যেখানে সংস্থাটির আর্থিক সহায়তা প্রত্যাশা করেন তিনি। দুর্যোগ মোকাবিলায় কৌশলগত মজুত ব্যবস্থাপনার ওপরও জোর দেন মন্ত্রী।
জবাবে ডব্লিউএফপির কান্ট্রি ডিরেক্টর কোকো উশিয়ামা আগামী পাঁচ বছরের পরিকল্পনায় বাংলাদেশের খাদ্য নিরাপত্তা, কৌশলগত মজুত ব্যবস্থাপনা ও স্কুল ফিডিং কর্মসূচিতে সহায়তা অব্যাহত রাখার আশ্বাস দেন। ফর্টিফায়েড চালের গবেষণার জন্য তিনি একটি বিস্তারিত ধারণাপত্র (কনসেপ্ট নোট) তৈরির পরামর্শ দেন। বৈঠকে খাদ্যসচিব আবু তাহের মোহাম্মদ মাসুদ রানা ও খাদ্য অধিদপ্তরের মহাপরিচালক মো. জসীম উদ্দিন খানসহ সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।
এদিকে, একই দিন বিকেলে খাদ্যমন্ত্রী আফরোজা খানমের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেন বাংলাদেশে নিযুক্ত ইতালির রাষ্ট্রদূত আন্তোনিও আলেসান্দ্রো। এ সময় তাঁরা দ্বিপক্ষীয় সম্পর্ক, খাদ্য নিরাপত্তা ও খাদ্যশস্য সংরক্ষণ নিয়ে আলোচনা করেন।