অর্থনীতি

রাজস্ব বাড়াতে চিংড়ি মহাল পুনর্গঠনের সিদ্ধান্ত

নিজস্ব প্রতিবেদক প্রকাশ: মঙ্গলবার, ০৩ নভেম্বর ২০২৬ ১ মিনিটে পড়া যাবে
বিজ্ঞাপন

স্বরাষ্ট্র মন্ত্রী বলেন, চিংড়ি মহালের সুষ্ঠু ব্যবস্থাপনা ও কার্যকর নীতিমালা তৈরি জরুরি। লিজকৃত জমিতে মামলা চলমান থাকলেও আইনি নিষ্পত্তি হওয়ার আগ পর্যন্ত সরকার রাজস্ব আদায় অব্যাহত রাখতে পারবে। তিনি চিংড়ি চাষ উপযোগী খাসজমি দ্রুত বন্দোবস্ত দেওয়া এবং চিংড়ি মহাল কমিটিগুলো পুনর্গঠনের তাগিদ দেন। ভূমি মন্ত্রী মো. মিজানুর রহমান মিনু জানান, প্রশাসনিক জটিলতার কারণে গত কয়েক দশকে বিপুল রাজস্ব হারিয়েছে সরকার। এ পরিস্থিতি উত্তরণে উপজেলা, জেলা ও জাতীয় পর্যায়ের ব্যবস্থাপনা কমিটি পুনর্গঠন এবং সংশ্লিষ্ট আইন ও নীতি সংশোধন করা হবে।

বিজ্ঞাপন

সভায় কক্সবাজার জেলার চিংড়ি মহাল সংক্রান্ত বিভিন্ন বিষয়ে কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়। এর মধ্যে রয়েছে, বনহীন জমি বন বিভাগের গেজেট থেকে বাদ দিয়ে চিংড়ি চাষের জন্য অবমুক্ত করা, বন, মৎস্য ও পশুপালন মন্ত্রণালয়ের কাছে থাকা ১ লাখ ৯৫ হাজার একর জমি ভূমি মন্ত্রণালয়ের কাছে ফিরিয়ে দেওয়া এবং হাইকোর্টে চলমান রিট মামলা দ্রুত নিষ্পত্তি করে স্থগিত থাকা কক্সবাজারের ১ হাজার ৪৬৬টি চিংড়ি মহালের কার্যক্রম সচল করা। এ ছাড়া, ১৯৯২ সালের চিংড়ি মহাল কমিটি পুনর্গঠন, নতুন খাজনা নির্ধারণ এবং আগের অপরিশোধিত সুদ সম্পূর্ণ মওকুফের সিদ্ধান্তও নেওয়া হয়।

বিজ্ঞাপন

আরও পড়ুন

একই বিভাগের আরও খবর