বিক্ষোভকারীদের সঙ্গে পুলিশের সংঘর্ষে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর ৫৩ সদস্য আহত হয়েছেন এবং ৪৪৮ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। এছাড়া বিভিন্ন স্থানে অগ্নিসংযোগের ৮৬টি ঘটনা ঘটেছে। আনাদোলু এজেন্সির প্রতিবেদন অনুযায়ী, বৃহস্পতিবার সন্ধ্যা ৬টা পর্যন্ত পাওয়া তথ্যের ভিত্তিতে এসব পরিসংখ্যান জানিয়েছে ফ্রান্সের স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়।
মন্ত্রণালয় বলেছে, অধিকাংশ অনুমোদিত বিক্ষোভ শান্তিপূর্ণভাবে অনুষ্ঠিত হলেও প্যারিস, লিওঁ, রেন ও তুলুজ শহরে উত্তেজনা ও সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের হিসাবে দেশজুড়ে বিক্ষোভে অংশ নিয়েছেন প্রায় ৫ লাখ ৭৫ হাজার মানুষ, এর মধ্যে প্যারিসে ৬৫ হাজার। তবে শ্রমিক সংগঠন সিজিটি দাবি করেছে, বিক্ষোভে অংশ নিয়েছেন প্রায় ১৬ লাখ মানুষ, শুধু প্যারিসেই ৩ লাখ ৫০ হাজার।
সিজিটির মহাসচিব সোফি বেনে ধর্মঘটকে ‘অত্যন্ত কার্যকর’ উল্লেখ করে শ্রমিকদের দাবি মেনে নিতে সরকারের প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন। তিনি সব শ্রমিকের বেতন বাড়ানোর পাশাপাশি ন্যূনতম মজুরি ১০ শতাংশ বৃদ্ধির দাবি জানান।
আরও পড়ুন
বিক্ষোভ ও ধর্মঘটের প্রভাব মোকাবিলায় শ্রমিক সংগঠন ও নিয়োগকর্তাদের প্রতিনিধিদের সঙ্গে বৈঠকের ঘোষণা দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী সেবাস্তিয়েন লেকর্নু। আগামী সোমবার প্যারিসের মাতিনিয়ঁতে এই ‘সামাজিক সম্মেলন’ অনুষ্ঠিত হবে।
ধর্মঘটের প্রভাব পড়েছে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলোতেও। উচ্চশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের তথ্য অনুযায়ী, ১৮৪টি উচ্চশিক্ষা প্রতিষ্ঠানের মধ্যে ৬০টিতে শিক্ষা কার্যক্রম ব্যাহত হয়েছে। শিক্ষক সংগঠন এসএনইএস-এফএসইউর দাবি, মাধ্যমিক ও উচ্চমাধ্যমিক পর্যায়ের প্রতিষ্ঠানগুলোর ৫২ শতাংশ কর্মী ধর্মঘটে অংশ নিয়েছেন।