বক্তব্যের ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ার পর বিষয়টি নিয়ে বিভিন্ন মহলে সমালোচনা শুরু হয়। তবে আসাদুজ্জামান মিন্টুর দাবি, এটি ছিল রাজনৈতিক বক্তব্য, বাস্তবে এমন কোনো ঘটনা ঘটেনি এবং নিয়োগ পরীক্ষাও শান্তিপূর্ণভাবে সম্পন্ন হয়েছে।
উপজেলা বিএনপি সূত্রে জানা গেছে, স্থানীয় সরকার ও জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে দলীয় কার্যক্রম জোরদারের অংশ হিসেবে গত ২৫ জুলাই শ্যামকুড় ইউনিয়নে একটি যৌথ সভার আয়োজন করা হয়। ওই সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে আসাদুজ্জামান মিন্টু বলেন, “আগামীকাল ফ্যামিলি কার্ডের নিয়োগ পরীক্ষা হবে। সেখানে জামায়াতে ইসলামীর কোনো কর্মীকে পেলে হাত-পা ভেঙে দেওয়া হবে।”
একই বক্তব্যে তিনি নারী সমর্থকদের জামায়াতের ‘বিভ্রান্তিমূলক প্রচারণা’ সম্পর্কে সতর্ক থাকার আহ্বান জানান। পাশাপাশি নামাজ, কোরআন তিলাওয়াত ও ফিতরা আদায়ের মতো ধর্মীয় অনুশাসন পালনের গুরুত্বও তুলে ধরেন।
আরও পড়ুন
-
‘জুলাইয়ের চেতনার সঙ্গে বিশ্বাসঘাতকতা করলে জনগণ ছাড় দেবে না’শনিবার, ০১ আগস্ট ২০২৬
-
বিএনপিকে কিছু বললে আওয়ামী লীগ খুশি হয়: নারায়ণগঞ্জ জামায়াত আমিরশনিবার, ০১ আগস্ট ২০২৬
-
১৭ বছরের মজলুম আজ জালিম হয়ে উঠেছে: বিএনপিকে নিশানা মিতুরশনিবার, ০১ আগস্ট ২০২৬
ভিডিওটি ভাইরাল হওয়ার পর নিজের বক্তব্যের ব্যাখ্যা দিয়ে আসাদুজ্জামান মিন্টু বলেন, উপজেলা প্রশাসন নিয়োগ পরীক্ষার বিজ্ঞপ্তি প্রকাশের পর জামায়াতের বিভিন্ন পর্যায়ের নেতাকর্মী সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে এ নিয়ে নানা ধরনের বিরূপ মন্তব্য ও পোস্ট করছিলেন। এর প্রতিক্রিয়াতেই তিনি ওই বক্তব্য দেন।
তিনি বলেন, “এটি সম্পূর্ণ রাজনৈতিক বক্তব্য ছিল। রাজনৈতিক মঞ্চে অনেক সময় এ ধরনের পাল্টা বক্তব্য দেওয়া হয়। এটিকে বাস্তব কোনো নির্দেশনা হিসেবে দেখার সুযোগ নেই।”
তিনি আরও দাবি করেন, পরবর্তীতে ফ্যামিলি কার্ডের নিয়োগ পরীক্ষা শান্তিপূর্ণ পরিবেশেই অনুষ্ঠিত হয়েছে এবং সেখানে কোনো প্রার্থীর রাজনৈতিক পরিচয় বা ধর্মীয় পরিচয় বিবেচনায় নেওয়া হয়নি।