প্রধানমন্ত্রী চিকিৎসকদের প্রতি আহ্বান জানিয়ে বলেন, রাজনৈতিক সম্পৃক্ততা যেন তাদের পেশাদারিত্বে ব্যাঘাত সৃষ্টি না করে, সেদিকে সবার সজাগ দৃষ্টি রাখতে হবে। তিনি আরও বলেন, জ্বালানি খাত অস্থিতিশীল করতে একটি চক্র সক্রিয় রয়েছে, তবে এই সমস্যা সমাধানে সরকার ইতিমধ্যে নানা পরিকল্পনা হাতে নিয়েছে।
সেবার মানসিকতা ছাড়া স্বাস্থ্যসেবার উন্নয়ন সম্ভব নয়: প্রধানমন্ত্রী
স্বাস্থ্যনীতি প্রসঙ্গে তারেক রহমান বলেন, বর্তমান সরকারের মূল লক্ষ্য হলো 'প্রিভেনশন ইজ বেটার দ্যান কিওর'—অর্থাৎ রোগ হওয়ার পর চিকিৎসার চেয়ে রোগ প্রতিরোধকে বেশি গুরুত্ব দেওয়া। তিনি মনে করেন, রোগের কারণ, প্রতিরোধ ও স্বাস্থ্যকর জীবনযাপন সম্পর্কে মানুষের মাঝে প্রথম থেকেই সচেতনতা তৈরি করা গেলে অনেক রোগের প্রকোপ কমানো সম্ভব। এ প্রসঙ্গে মার্কিন উদ্ভাবক টমাস এডিসনের উদ্ধৃতি দিয়ে তিনি বলেন, এডিসন মনে করতেন, ভবিষ্যতের চিকিৎসক শুধু ওষুধ দেবেন না, বরং রোগীর খাদ্যাভ্যাস, শরীরের যত্ন ও রোগ প্রতিরোধ সম্পর্কেও তাকে সচেতন করবেন—যা বর্তমান সরকারের স্বাস্থ্যনীতির সঙ্গেও সাদৃশ্যপূর্ণ।
প্রধানমন্ত্রী জানান, রোগ প্রতিরোধে গুরুত্ব দিয়ে সরকার আরও ১ লাখ স্বাস্থ্যকর্মী নিয়োগের উদ্যোগ নিয়েছে, যারা সাধারণ মানুষকে প্রাথমিক স্বাস্থ্যসেবা ও সচেতনতা দেবে। তবে এ ক্ষেত্রে স্বাস্থ্যকর্মীদের যথাযথ প্রশিক্ষণ দেওয়ার দায়িত্ব চিকিৎসকদেরই নিতে হবে বলেও তিনি উল্লেখ করেন।
আরও পড়ুন
অনুষ্ঠানের শুরুতেই প্রধানমন্ত্রী জাতীয় সংসদ প্রাঙ্গণে একটি নিমগাছের চারা রোপণ করেন এবং তার সহধর্মিণী ডা. জুবাইদা রহমানও একটি গাছের চারা রোপণ করেন। পরে জাতীয় সংগীত শেষে দলীয় পতাকা উত্তোলনের মাধ্যমে পরবর্তী কর্মসূচি শুরু করেন তিনি। সমাবেশ শুরুর আগে শান্তির প্রতীক হিসেবে দুটি পায়রা উড়িয়ে দেওয়া হয়।
এ সময় বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর, প্রধানমন্ত্রীর সহধর্মিণী ডা. জুবাইদা রহমান, ড্যাব সভাপতি অধ্যাপক ডা. হারুন আল রশীদ এবং মহাসচিব ডা. মো. জহিরুল ইসলাম শাকিলসহ অন্যান্য নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।