প্রকল্পে মোট ২৪টি স্টেশন থাকবে। এর মধ্যে পাতাল ও উড়াল, দুই ধরনের রুটই থাকবে। গাবতলী, ঢাকা উদ্যান, বছিলা, মোহাম্মদপুর, জিগাতলা, সায়েন্স ল্যাব, নিউমার্কেট, আজিমপুর, লালবাগ, চকবাজার, মিটফোর্ড, নয়াবাজার, ধোলাইখাল, দয়াগঞ্জ, কাপ্তানবাজার ও ডেমরাসহ গুরুত্বপূর্ণ এলাকাগুলো এই রুটের আওতায় আসবে।
আসছে ৬০ হাজার কোটির নতুন মেট্রোরেল
এ ছাড়া গুলিস্তান থেকে নয়াবাজার হয়ে সদরঘাট পর্যন্ত একটি শাখা লাইন নির্মাণের প্রস্তাবও রয়েছে। অন্যান্য মেট্রোরেল লাইনের সঙ্গে এমআরটি-২-এর সংযোগ রাখা হবে। ফলে গাবতলী অংশে এমআরটি-৫, কমলাপুরে এমআরটি-১, ৪ ও ৬ এবং সাইনবোর্ডে এমআরটি-৪-এর সঙ্গে সংযোগ তৈরি হবে।
প্রকল্পটির বড় অংশের অর্থায়নের জন্য বিশ্বব্যাংকের সঙ্গে আলোচনা হয়েছে। বিশ্বব্যাংক প্রায় ৫৩ হাজার কোটি টাকা ঋণ সহায়তার বিষয়ে নীতিগত সম্মতি দিয়েছে। এশীয় অবকাঠামো বিনিয়োগ ব্যাংক বা এআইআইবির সঙ্গেও ঋণ সহায়তা নিয়ে আলোচনা চলছে।
আরও পড়ুন
বর্তমানে প্রকল্পের প্রাক-প্রকল্প উন্নয়ন প্রস্তাব (পিডিপিপি) পরিকল্পনা কমিশনে পর্যালোচনাধীন। এরপর উন্নয়ন সহযোগীদের কাছ থেকে ঋণ সংগ্রহের জন্য প্রস্তাবটি অর্থনৈতিক সম্পর্ক বিভাগে পাঠানো হবে।
পরিকল্পনা অনুযায়ী, ২০২৬ সালের শেষ দিকে বা ২০২৭ সালের শুরুতে নির্মাণকাজ শুরু করে ২০৩০ সালের মধ্যে মেট্রোরেল চালু করার লক্ষ্য রয়েছে। ভবিষ্যতে নারায়ণগঞ্জ থেকে মুন্সীগঞ্জ পর্যন্ত লাইনটি সম্প্রসারণের পরিকল্পনাও রয়েছে।