পুলিশ জানায়, শনিবার রাত সাড়ে ১২টার দিকে শামীমের বড় ভাই ফজলুর রহমান দৌলতপুর থানায় লাশ অবমাননার অভিযোগে মামলাটি করেন। এতে অজ্ঞাতপরিচয় ব্যক্তিদের আসামি করা হয়েছে।
পীর শামীমের দেহাবশেষ উত্তোলনের ঘটনায় মামলা
এর আগে শুক্রবার রাতে উপজেলার ফিলিপনগর দারোগার মোড় এলাকার একটি কবরস্থান থেকে শামীমের দেহাবশেষ তুলে দরবার শরিফ প্রাঙ্গণে দাফন করা হয়েছে বলে অভিযোগ ওঠে। পরে শনিবার প্রশাসনের উদ্যোগে দরবার প্রাঙ্গণের কবরটি উত্তোলন করে দেহাবশেষ উদ্ধার করা হয় এবং মূল কবরস্থানে পুনরায় দাফন করা হয়।
দৌলতপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা খালেদুর রহমান বলেন, কারা কবর খুঁড়ে দেহাবশেষ তুলে দরবার শরিফে নিয়ে গেছে, তা শনাক্তে তদন্ত চলছে। ঘটনায় জড়িত ও সন্দেহভাজনদের আইনের আওতায় আনতে কাজ করছে পুলিশ।
আরও পড়ুন
উপজেলা সহকারী কমিশনার ভূমি প্রদীপ কুমার দাশ জানান, পুরোনো কবর খুঁড়ে শামীমের দেহাবশেষ পাওয়া যায়নি। পরে ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী দরবারে থাকা দেহাবশেষ উদ্ধার করে মূল কবরস্থানে দাফন করা হয়।
উল্লেখ্য, গত ১১ এপ্রিল পবিত্র কোরআন অবমাননার অভিযোগকে কেন্দ্র করে শামীমের দরবার শরিফে হামলা, ভাঙচুর ও অগ্নিসংযোগের ঘটনা ঘটে। এ সময় বিক্ষুব্ধ জনতার হামলায় তিনি নিহত হন। পরদিন ময়নাতদন্ত শেষে স্থানীয় একটি কবরস্থানে তাকে দাফন করা হয়।