শনিবার ফেনীর সোনাগাজী উপজেলার সরকারি পাইলট স্কুল মাঠ পরিদর্শন শেষে সাংবাদিকদের ব্রিফিংকালে তিনি এ তথ্য জানান। আগামী ১৭ সেপ্টেম্বর প্রধানমন্ত্রীর উদ্বোধনী অনুষ্ঠানের প্রস্তুতি চলছে বলেও জানান তিনি।
পাইলট পর্যায়ে কৃষক কার্ডের প্রণোদনা পাবেন ১ লাখ ১০ হাজার ৩৬৪ কৃষক
মন্ত্রী বলেন, উদ্বোধনী দিনে ফেনী জেলার ৭ হাজার ৬৪৩ জন কৃষক ছাপানো কৃষক কার্ড পাবেন। পর্যায়ক্রমে দেশের প্রতিটি উপজেলা, ইউনিয়ন ও ব্লক পর্যায়ে এ কার্যক্রম সম্প্রসারণ করা হবে। নির্ধারিত সময়ের মধ্যে দুই কোটিরও বেশি প্রকৃত কৃষককে কার্ডের আওতায় আনার পরিকল্পনা রয়েছে।
কৃষক কার্ড প্রদানে কোনো ধরনের বৈষম্যের সুযোগ নেই উল্লেখ করে তিনি বলেন, প্রান্তিক, ক্ষুদ্র, ভূমিহীন, মাঝারি ও বড়—সব শ্রেণির প্রকৃত কৃষক এ সুবিধা পাবেন। কার্ডের মাধ্যমে সার, বীজসহ সরকারি সহায়তা আরও সুশৃঙ্খল ও স্বচ্ছভাবে কৃষকদের কাছে পৌঁছে দেওয়া হবে।
আরও পড়ুন
সার নিয়ে অনিয়মের বিষয়ে মন্ত্রী বলেন, দেশে বর্তমানে সারের কোনো সংকট নেই। কৃত্রিম সংকট তৈরি করে কৃষকদের হয়রানি বা অতিরিক্ত দামে সার বিক্রির চেষ্টা করা হলে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে। ডিলারের বাইরে সার মজুতের অভিযোগ তদন্তে কয়েকটি দল কাজ করছে বলেও জানান তিনি।
চরাঞ্চলের কৃষি উন্নয়ন প্রসঙ্গে মন্ত্রী বলেন, এসব এলাকায় আধুনিক ও উৎপাদনমুখী কৃষি সম্প্রসারণে সরকার গুরুত্ব দিচ্ছে। শীতকালীন স্বল্পমেয়াদি ফসলসহ সম্ভাবনাময় কৃষিপণ্য উৎপাদনে প্রয়োজনীয় প্রযুক্তি ও সহায়তা নিশ্চিত করার পরিকল্পনা রয়েছে।
এ সময় কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের মহাপরিচালক মো. আব্দুর রহিম ও ফেনীর জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ মাহবুবউল করিম উপস্থিত ছিলেন।