জুলাইয়ে সার্বিক মূল্যস্ফীতি ছিল ৮ দশমিক ৩২ শতাংশ। এক মাসের ব্যবধানে তা কমেছে শূন্য দশমিক ৬ শতাংশ। এর আগে জুনে ৯ দশমিক ১৬ এবং মে মাসে ৯ দশমিক ৪২ শতাংশ ছিল মূল্যস্ফীতি। মে মাসের সর্বোচ্চ পর্যায় থেকে তিন মাসে তা কমেছে ১ দশমিক ১৬ শতাংশ।
দশ মাসের মধ্যে সর্বনিম্ন মূল্যস্ফীতি আগস্টে
বিবিএসের তথ্য অনুযায়ী, আগস্টে খাদ্য মূল্যস্ফীতিও কমে ৭ দশমিক ০২ শতাংশে নেমেছে, যা জুলাইয়ে ছিল ৭ দশমিক ১৬ শতাংশ। গত বছরের আগস্টে খাদ্য মূল্যস্ফীতি ছিল ৭ দশমিক ৬০ শতাংশ।
গ্রাম ও শহর উভয় এলাকাতেই মূল্যস্ফীতি কমেছে। আগস্টে গ্রামীণ এলাকায় সার্বিক মূল্যস্ফীতি ৮ দশমিক ৩১ শতাংশ, যা জুলাইয়ে ছিল ৮ দশমিক ৩৬ শতাংশ। শহরাঞ্চলে জুলাইয়ের ৮ দশমিক ২৪ শতাংশ থেকে কমে আগস্টে হয়েছে ৮ দশমিক ২০ শতাংশ।
আরও পড়ুন
সংশ্লিষ্টরা বলছেন, বাজারে পণ্যের সরবরাহ পরিস্থিতির উন্নতি এবং সরকারের বিভিন্ন নীতিগত উদ্যোগ মূল্যচাপ কমাতে ভূমিকা রাখছে। ২০২৬-২৭ অর্থবছরের বাজেটে ৬০টি নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের ওপর উৎসে কর কমানো, খাদ্যবান্ধব কর্মসূচি ও ওএমএস কার্যক্রম সম্প্রসারণের কথাও উল্লেখ করা হয়েছে।
এদিকে নিত্যপণ্যের সরবরাহ ও দাম স্থিতিশীল রাখতে টিসিবির কার্যক্রম জোরদার করা হচ্ছে। তুলনামূলক কম দামে আমদানি করা কিছু নিত্যপণ্য ভর্তুকি ছাড়াই বাজারে বিক্রির উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে বলে জানিয়েছে সংস্থাটি।
সরকার চলতি অর্থবছরে মূল্যস্ফীতি ৭ দশমিক ৫ শতাংশে নামিয়ে আনার লক্ষ্য নির্ধারণ করেছে। তবে মূল্যস্ফীতি কমার অর্থ পণ্যের দাম কমে যাওয়া নয়; বরং আগের তুলনায় দাম বাড়ার গতি কমেছে। ফলে সাধারণ মানুষের ক্রয়ক্ষমতার ওপর চাপ পুরোপুরি কমেছে, এমনটি বলা যাচ্ছে না।