২০২৪-২৫ অর্থবছরে ৯৯ কোটি ৩০ লাখ টাকার প্রাইজবন্ড বিক্রি হলেও গত অর্থবছরে বিক্রি হয়েছে ৭৭ কোটি ৯০ লাখ টাকা। একই সময়ে নিট বিক্রি ৩২ কোটি ৪০ লাখ টাকা থেকে কমে ২১ কোটি ৫০ লাখ টাকায় নেমেছে।
প্রতিবেদনে দেখা যায়, ২০২৫-২৬ অর্থবছরে প্রাইজবন্ডের মূল অর্থ বাবদ ৫৬ কোটি ৫০ লাখ এবং লটারির পুরস্কার হিসেবে ২৮ কোটি ২০ লাখ টাকা পরিশোধ করা হয়েছে। সব মিলিয়ে পরিশোধ হয়েছে ৮৪ কোটি ৭০ লাখ টাকা, যা মোট বিক্রির চেয়ে ৬ কোটি ৮০ লাখ টাকা বেশি। এই অর্থ সরকারকে অন্য খাত থেকে জোগান দিতে হয়েছে।
বর্তমানে ১০০ টাকা মূল্যমানের প্রাইজবন্ড চালু রয়েছে। এতে কোনো সুদ বা নির্দিষ্ট মুনাফা দেওয়া হয় না; প্রতি তিন মাস পরপর লটারির মাধ্যমে পুরস্কার দেওয়া হয়। ৪৬টি সিরিজে প্রতি ড্রতে মোট ১৬ লাখ ২৫ হাজার টাকার পুরস্কার রয়েছে। পুরস্কারের অর্থ থেকে ২০ শতাংশ আয়কর কেটে রাখা হয়।
কেন্দ্রীয় ব্যাংকের এক কর্মকর্তা বলেন, প্রাইজবন্ড নিয়ে আগের মতো প্রচার না থাকায় নতুন প্রজন্মের মধ্যে এর পরিচিতি কমেছে। পাশাপাশি ব্যাংক ও অন্যান্য প্রতিষ্ঠানে বিভিন্ন সঞ্চয়ী উপকরণ থাকায় গ্রাহকেরা সেদিকে বেশি ঝুঁকছেন।
প্রাইজবন্ডের আকর্ষণ বাড়াতে ৫০০ ও ১ হাজার টাকা মূল্যমানের নতুন বন্ড চালু, সুবিধাগুলো নিয়ে প্রচার এবং পুরস্কারের অর্থের ওপর কর কমানো বা প্রত্যাহারের বিষয় বিবেচনার প্রস্তাব দিয়েছেন সংশ্লিষ্টরা।




