মন্ত্রী বলেন, দেশের প্রায় ১৬ হাজার কিলোমিটার প্রাকৃতিক নৌপথ ও বঙ্গোপসাগরের কৌশলগত অবস্থান সামুদ্রিক বাণিজ্যে বড় সুযোগ তৈরি করেছে। এ লক্ষ্যে চট্টগ্রাম ও মোংলা সমুদ্রবন্দরের সক্ষমতা বৃদ্ধি, মাতারবাড়ী গভীর সমুদ্রবন্দর নির্মাণ এবং পায়রা বন্দরকে কার্যকর করার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। পাশাপাশি জাহাজ নির্মাণ, মেরামত, অফশোর অনুসন্ধান ও লজিস্টিকস খাতে বিনিয়োগ এবং আন্তর্জাতিক বাজারের উপযোগী দক্ষ নাবিক তৈরির মাধ্যমে কর্মসংস্থান বৃদ্ধির সুযোগ রয়েছে বলে তিনি উল্লেখ করেন।
জাতীয়
সামুদ্রিক খাতের সম্ভাবনা কাজে লাগাতে সমন্বিত উদ্যোগের তাগিদ নৌপরিবহন মন্ত্রীর
পরিবেশ সুরক্ষার ওপর জোর দিয়ে তিনি জানান, সামুদ্রিক সম্পদ আহরণে পরিবেশগত ভারসাম্য রক্ষা ও পরিবেশবান্ধব জ্বালানির ব্যবহার নিশ্চিত করা জরুরি। এ সময় সামুদ্রিক খাতের টেকসই উন্নয়নে আন্তর্জাতিক অংশীদার, সরকারি ও বেসরকারি খাতকে একযোগে কাজ করার আহ্বান জানান তিনি।
অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন নেদারল্যান্ডসের রাষ্ট্রদূত জোরিস ভ্যান বোমেল, মিয়ানমারের রাষ্ট্রদূত উ কিয়াও সোয়ে মোয়ে, বাংলাদেশ মেরিটাইম ইউনিভার্সিটির উপাচার্য রিয়ার অ্যাডমিরাল মো. নিয়ামাত এলাহী এবং নৌপরিবহন অধিদপ্তরের মহাপরিচালক কমোডোর মো. শফিউল বারী।