মসজিদ রক্ষার প্রস্তাবে জমিয়ত জানায়, মসজিদ কেবল একটি স্থাপনা নয়, এটি মুসলমানদের ধর্মীয় বিশ্বাস ও সাংবিধানিক স্বাধীনতার প্রকাশ। কোনো স্থাপনা অবৈধ দাবি করলেও যথাযথ আইনি প্রক্রিয়া ছাড়া তা ভেঙে ফেলা যায় না বলে উল্লেখ করে সংগঠনটি। এ বিষয়ে ১৯৯১ সালের প্লেসেস অব ওয়ারশিপ আইনের কঠোর প্রয়োগ এবং সুপ্রিম কোর্টের অন্তর্বর্তী নির্দেশনার পূর্ণ বাস্তবায়নের দাবি জানানো হয়। পাশাপাশি আগামী ছয় মাসের মধ্যে মসজিদ পরিচালনা কমিটিগুলোকে প্রয়োজনীয় আইনগত কাগজপত্র যাচাই ও হালনাগাদ করার নির্দেশ দেয় জমিয়ত।
মাদ্রাসা সংক্রান্ত প্রস্তাবে স্বীকৃতি ও নিবন্ধনের নামে হয়রানি এবং ভিত্তিহীন প্রচারণা নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করে কেন্দ্রীয় সরকারের কাছে সংবিধানপ্রদত্ত অধিকার নিশ্চিত করার আহ্বান জানানো হয়। তবে মাদ্রাসা পরিচালকদেরও প্রশাসনিক ও আর্থিক স্বচ্ছতা নিশ্চিত করার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে। এ ছাড়া, ইউসিসিকে বৈষম্যমূলক আখ্যা দিয়ে তা সম্পূর্ণ প্রত্যাখ্যান করেছে জমিয়ত। সংগঠনটির মতে, ভারতের মতো বহুধর্মীয় দেশে একক আইনি কাঠামো ধর্মীয় ও সাংস্কৃতিক বৈচিত্র্যের ওপর নেতিবাচক প্রভাব ফেলতে পারে।