এ সময়ে রোগটিতে মোট ৫৭০ জন আক্রান্ত হয়েছেন বলে জানিয়েছে থাই সংবাদমাধ্যম খাওসেদ।
রোগ প্রতিরোধ ও নিয়ন্ত্রণ দপ্তরের তথ্য অনুযায়ী, বুরি রাম, সুরিন, নাখন রাতচাসিমা ও চাইয়াফুমে এই সংক্রমণ ছড়িয়ে পড়েছে। এর মধ্যে বুরি রামে সবচেয়ে বেশি ২৪৫ জন আক্রান্ত এবং ১২ জনের মৃত্যু হয়েছে, আর নাখন রাতচাসিমায় সর্বোচ্চ ১৭ জনের প্রাণহানি ঘটেছে। বয়স্ক ব্যক্তিদের মধ্যে সংক্রমণের হার সবচেয়ে বেশি।
মাটি ও পানিতে থাকা ‘বারখোল্ডেরিয়া সিউডোম্যালেই’ ব্যাকটেরিয়ার মাধ্যমে এই রোগ ছড়ায়। দীর্ঘ বৃষ্টি ও বন্যায় ঝুঁকি বাড়ায় কৃষকসহ স্থানীয় বাসিন্দাদের সরাসরি দূষিত মাটি ও পানি এড়িয়ে চলার পাশাপাশি কাজের সময় রাবার বুট, গ্লাভস ও জলরোধী পোশাক ব্যবহারের পরামর্শ দিয়েছেন স্বাস্থ্য কর্মকর্তারা।


