বৈঠকে প্রতিমন্ত্রী বলেন, গ্রামকে শহরে রূপান্তরের রূপকল্প বাস্তবায়নে গ্রামীণ ও শহর অঞ্চলের সড়ক যোগাযোগ, ব্রিজ-কালভার্ট নির্মাণ এবং বর্জ্য ব্যবস্থাপনায় সিআরসিসি তাদের আধুনিক প্রযুক্তি ও অভিজ্ঞতা কাজে লাগাতে পারে। এ সময় তিনি যেকোনো উন্নয়ন কর্মকাণ্ড সহজ করতে বর্তমান সরকারের পক্ষ থেকে পূর্ণ সহায়তার নিশ্চয়তা দেন। পাশাপাশি বর্জ্য থেকে বিদ্যুৎ উৎপাদন এবং সড়ক ও সেতু নির্মাণ খাতে চীন সরকারের ক্রমাগত অবদানের জন্য কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন মীর শাহে আলম।
জবাবে সিআরসিসির চেয়ারম্যান দাই হেগেন জানান, বাংলাদেশে বর্তমানে সংস্থাটির ১ দশমিক ৩৬ বিলিয়ন মার্কিন ডলার মূল্যের ২৪টি প্রকল্প চলমান রয়েছে। কক্সবাজার রেল সংযোগ, ঢাকা-আশুলিয়া এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়ে এবং অষ্টম বাংলাদেশ-চীন মৈত্রী সেতুর মতো মেগা প্রকল্প সফলভাবে সম্পন্ন করার কথা উল্লেখ করে তিনি বলেন, আগামীতে নবায়নযোগ্য জ্বালানি, সৌরবিদ্যুৎ এবং গ্রামীণ এলাকায় আর্সেনিকমুক্ত সুপেয় পানি সরবরাহ নিশ্চিতে নিজস্ব উদ্ভাবনী প্রযুক্তি নিয়ে কাজ করতে আগ্রহী সিআরসিসি।
বৈঠকে স্থানীয় সরকার বিভাগের সচিব মো. শহীদুল হাসান, ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের প্রশাসক মোহা. আবদুস সালাম এবং ঢাকা ওয়াসার ব্যবস্থাপনা পরিচালক ড. মুহা. মনিরুজ্জামানসহ মন্ত্রণালয়ের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।