অভিযোগে রাকিব হোসেন দাবি করেন, প্রায় এক মাস আগে গ্রামের একটি বিয়ের অনুষ্ঠানে সৃষ্ট বিরোধকে কেন্দ্র করে অভিযুক্তদের কয়েকজনের সঙ্গে তাদের বাকবিতণ্ডা হয়। পরে স্থানীয়ভাবে বিষয়টির মীমাংসা হলেও এরপর থেকে অভিযুক্তরা তাকে ও তার সহযোগীদের বিভিন্ন সময় ভয়ভীতি ও প্রাণনাশের হুমকি দিয়ে আসছিল বলে অভিযোগে উল্লেখ করা হয়েছে।
লিখিত অভিযোগ অনুযায়ী, গত ৭ জুলাই ২০২৬ বিকেল সাড়ে ৫টার দিকে কাজ শেষে বাড়ি ফেরার পথে মনিপুর এলাকায় অভিযুক্তদের বাড়ির সামনে পৌঁছালে দেশীয় অস্ত্রশস্ত্রে সজ্জিত একদল ব্যক্তি তাদের পথরোধ করে। পরে রাকিব হোসেন, রাসেল ও ফাহিমের ওপর হামলা চালানো হয়। এতে তিনজন আহত হন।
অভিযোগে আরও বলা হয়, হামলার সময় রাসেলের কাছ থেকে নগদ ২০ হাজার টাকা ও প্রায় ২২ হাজার টাকা মূল্যের একটি অ্যান্ড্রয়েড মোবাইল ফোন ছিনিয়ে নেওয়া হয়। আহতদের উদ্ধার করতে এগিয়ে গেলে আল হাসান সোহরাবকেও মারধর করা হয়। তার কাছ থেকে ৩৫ হাজার টাকা নিয়ে যাওয়া এবং প্রায় ১৬ হাজার টাকা মূল্যের একটি মোবাইল ফোন ভাঙচুর করা হয়েছে বলেও অভিযোগ করা হয়েছে।
চিৎকার শুনে স্থানীয় লোকজন ঘটনাস্থলে এগিয়ে এলে অভিযুক্তরা ঘটনাস্থল ছেড়ে চলে যায়। পরে স্থানীয়রা আহতদের উদ্ধার করে শাহরাস্তি উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করেন। চিকিৎসা শেষে রাকিব হোসেন থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন।
রাকিব হোসেন দাবি করেন, তাকে হত্যার উদ্দেশ্যে হামলা চালানো হয়েছে এবং হামলাকারীরা আওয়ামী লীগের রাজনীতির সঙ্গে সম্পৃক্ত। তবে এ অভিযোগের বিষয়ে অভিযুক্তদের কোনো বক্তব্য তাৎক্ষণিকভাবে পাওয়া যায়নি।
এ বিষয়ে শাহরাস্তি মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মীর মাহবুবুর রহমান বলেন, অভিযোগটি গ্রহণ করা হয়েছে। তদন্ত করে অভিযোগের সত্যতা পাওয়া গেলে সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।